জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম-আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারের দুই মাস সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার শোকজ নোটিশ প্রত্যাহার করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
ফলে এখন থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে তার কোনো বাধা থাকছে না। এর আগে, নিজ দলের এক নারী নেত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁসের জেরে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় তাকে।
শনিবার (২৩ আগস্ট) রাতে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাতের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিষয়টি জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, গত ১৭ জুন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারকে নৈতিক স্থলনজনিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। সারোয়ার তুষার দপ্তর মারফত আহ্বায়ক, সদস্য সচিব, রাজনৈতিক পর্ষদ ও এনসিপি শৃঙ্খলা কমিটি বরাবর উক্ত নোটিশের লিখিত জবাব প্রদান করেন। জবাব বিশ্লেষণ করে একান্ত ব্যক্তিগত যোগাযোগের এই ঘটনাটি নারীর প্রতি সংবেদনশীলতা এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে এনসিপি গভীর পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয়।
এ প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হওয়া ফোনালাপের ভিত্তিতে শোকজ নোটিশের নির্দেশ অনুযায়ী সারোয়ার তুষার দুই মাস সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকেন। সাংগঠনিক নির্দেশ মোতাবেক দেশব্যাপী জুলাই পদযাত্রা, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে এনসিপিকে প্রতিনিধিত্ব করা, মিডিয়ায় দলের অবস্থান তুলে ধরা, নরসিংদীতে এনসিপির পদযাত্রায় অনুপস্থিত থাকাসহ পার্টির সকল সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে তিনি বিরত থাকেন।
সার্বিক ঘটনা, লিখিত জবাব ও আলামত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে দুই মাস সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার পর সারোয়ার তুষারকে পুনরায় সাংগঠনিক সব কর্মকাণ্ডে পুনর্বহাল করার মাধ্যমে কারণ দর্শানোর নোটিশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত জুন মাসে এনসিপির নেতা সারোয়ার তুষারের সঙ্গে এক নারীর কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে বলা হয়।



নৈতিক স্খলনের অভিযোগ, এনসিপি নেতা সারোয়ার তুষারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ