আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৩৬ জন। তাদের মধ্যে টাঙ্গাইল থেকে আছেন প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন প্রভাবশালী রাজনীতিবীদ ড.মো.আব্দুর রাজ্জাক।
আব্দুর রাজ্জাক বাদ পড়ায় জেলাবাসী হতাশা প্রকাশ করেছেন। আর টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল করেছেন তার কর্মী-সমর্থকরা।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আমাদের স্বপ্নপূরণ করেছেন। আমাদের এলাকা থেকে একজন প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ কববে। আশা করি, এই নেতা আগামী দিনে পূর্ণমন্ত্রিত্ব পেতে এলাকার উন্নয়নে মনোযোগী হবেন।”
নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো.কুদরত আলী বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই প্রথম আমাদের আসনে মন্ত্রী পেলাম। খবর পেয়েই আমরা মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল করছি। আশা রাখি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আহসানুল ইসলাম টিটু এলাকা ও দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবেন।”
এদিকে, মধুপুর-ধনবাড়ি আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এবারের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই না পাওয়াটাকে “বড় ক্ষতি” হিসেবে দেখছেন তার কর্মী-সমর্থকরা।
মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খ.শফি ঊদ্দিন মনি বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি আব্দুর রাজ্জাকের মন্ত্রিত্ব আমাদের এলাকার জন্য গর্বের বিষয় ছিল। এই উপজেলার জন্য তার আলাদা সুনজর ছিল।”
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মী বলেন, “বিএনপি ইস্যুতে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে আব্দুর রাজ্জাকের দেওয়া বক্তব্যে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ কারণে তিনি মন্ত্রিসভা বাদ পড়তে পারেন।”
তারা আরও বলেন, “তিনি মন্ত্রী থাকার সময় আমাদের উপজেলা আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ ছিল না।”
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম বলেন, “শেখ হাসিনা পাঁচবারের প্রধানমন্ত্রী। দেশ পরিচালনার জন্য কাকে মন্ত্রিসভায় কাকে রাখলে ভালো হবে, সেটি তিনিই ভালো জানেন। তার সেই বিচক্ষণতা রয়েছে। জেলায় একজন পূর্ণমন্ত্রী ছিলেন, সেটি তো অব্যশই আমাদের জন্য ভালো ছিল।”



