Saturday, June 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গয়েশ্বর: জিয়াউর রহমানের সততা নিয়ে কথা বলার সুযোগ নেই

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বিএনপিকে ধ্বংস করতে খালেদা জিয়াকে প্রায় ৭ বছর বন্দি করে রাখা হয়েছে

আপডেট : ৩১ মে ২০২৪, ০২:৩৮ পিএম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘‘স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে বহুদলীয় গণতন্ত্র সবই জিয়া পরিবারের অবদান। আজকে বিদেশি রেমিট্যান্স ও গার্মেন্টসের ওপর ভর করে রাষ্ট্র চালাচ্ছেন, এগুলোও জিয়াউর রহমানের অবদান। জিয়াউর রহমানের সততা নিয়ে কারো কথা বলার সুযোগ নেই।’’

শুক্রবার (৩১ মে) দুপুরে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের নিচতলায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠা চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘‘বিএনপিকে ধ্বংস করতে খালেদা জিয়াকে প্রায় ৭ বছর বন্দি করে রাখা হয়েছে। সরকারের হীন চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আরও বেশি শক্তিশালী হয়েছে। আজকে দেশের মানুষের আস্থাস্থলে পরিণত হয়েছেন তারেক রহমান। আজকে এই তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী। যেদিন সে আসবে তার ঢেউয়ে আপনারা কোথায় ভেসে যাবেন তা চিন্তা করুন।’’

গয়েশ্বর বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই বলেন, যুদ্ধের সময় খালেদা জিয়া কোথায় ছিলেন? জিয়াউর রহমান সম্মুখ যোদ্ধার অপরাধে দুই শিশু সন্তানসহ বন্দি রাখা হয় খালেদা জিয়াকে। আপনি প্রধানমন্ত্রী সে সময় কোথায় ছিলেন? সে সময় ধানমণ্ডির ৩২ নং বাড়ির ভাড়া কারা দিয়েছে? কারা আপনার বাসায় নিরাপত্তা দিতো? আপনি যুদ্ধের সময় যখন মেডিকেল চেক-আপ করাতেন তখন সে গাড়ির চালকও ছিল পাকিস্তানি আর্মি। আপনি (প্রধানমন্ত্রী) পাকিস্তানিদের টাকায় খাবার খেয়েছেন। যাদের কোনো অবদান নেই তারাই এগুলো বলতে পারে।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘বন্যরা বনে সুন্দর, আর ছাত্ররা শিক্ষাঙ্গনে। ছাত্ররা শিক্ষাঙ্গনে যেতে পারবে না। ক্লাস করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে রক্তাক্ত হয়ে ফিরে আসতে হয়। প্রতিদিন আদালতের বারান্দায় হাজিরা দিতে যেতে হয়। আগ্রাসী শক্তি ছাত্র-যুবকের কণ্ঠরোধ করছে। ১৭ বছরে অনেক মেধাবি ছাত্রের জীবন ধ্বংস করা হয়েছে। যুবকরা নিজ নিজ স্থান থেকে বিতাড়িত হয়ে রাজপথে ঘুরছে। আজকে ছাত্রদের যুদ্ধ করে প্রতিষ্ঠানে টিকে থাকতে হচ্ছে। এটি একটি অভিশপ্ত জীবন।’’

About

Popular Links