Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইংল্যান্ড-সুইজারল্যান্ডের ম্যাচজুড়ে যা হলো

  • ইংল্যান্ডের ১৩টি শটের বিপরীতে ১১টি শট নেয় সুইজারল্যান্ড
  • বল দখলে ইংল্যান্ড সামান্য এগিয়ে থাকলেও সমানে লড়াই করেছে সুইসরা
আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২৪, ০৯:৪৭ এএম

প্রথমার্ধের সাদামাটা ফুটবলের পর দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল সুইজারল্যান্ড। ২০ মিনিট ধরে ইংল্যান্ডকে চাপে রেখে গোল পায় তারা, কিন্তু বুকায়ো সাকা সমতায় ফেরানোর পর টাইব্রেকারে পিকফোর্ডের সেইভে শেষ হাসি হেসেছে গ্যারেথ সাউথগেটের শিষ্যরাই। ফলে গতবারের মতো এবারও কোয়ার্টার ফাইনালে টাইব্রেকারে ৫-৩ ব্যবধানে হেরে সেমিফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে মুরাত ইয়াকিনের শিষ্যদের।

পুরো ম্যাচে ইংল্যান্ডের ১৩টি শটের বিপরীতে ১১টি শট নেয় সুইজারল্যান্ড, যার তিনটি লক্ষ্যে ছিল। বল দখলেও লড়াইয়ে ইংল্যান্ড সামান্য (৫২%) এগিয়ে থাকলে সমানে লড়াই করেছে সুইসরা।

এ দিন কৌশলে পরিবর্তন এনে কিরান ট্রিপিয়ার ও বুকায়ো সাকাকে অবস্থান পরিবর্তন করে মাঠে নামান গ্যারেথ সাউথগেট। এর মধ্যে ম্যাচের সপ্তম মিনিটে প্রথম সুযোগ তৈরি করে ইংল্যান্ডই। ডান দিকে দিয়ে দ্রুত উঠে বক্সের বাইরে থেকে কাইল ওয়াকারকে পাস দেন সাকা। ওয়াকার সেখান থেকে শট নিলেও সুইজারল্যান্ডের ম্যানচেস্টার সিটি ডিফেন্ডার মানুয়েল আকাঞ্জি শটটি ফিরিয়ে দেন।

পরের মিনিটে আক্রমণে ওঠে সুইজারল্যান্ড। বাঁ দিকে দিয়ে আক্রমণে যাওয়া ডান এনডয়েকে নিষ্ক্রিয় করেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের তরুণ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার কোবি মাইনু। পরের মিনিটে সুইজারল্যান্ডের আরও একটি আক্রমণ ইংলিশ ডিফেন্সে প্রতিহত হয়। এবার সুইসদের হেডার বক্সের ভেতর থেকে ফেরান এস্টন ভিলার ইংলিশ ডিফেন্ডার এজরি কনসা।

এ সময় সুইজারল্যান্ড আক্রমণে উঠলেই দুই/তিন স্তরের রক্ষণ তৈরি করছিল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে, ইংল্যান্ড আক্রমণে উঠলে দলটির ফুটবলারদের জায়গা কমিয়ে সেসব আক্রমণ নিষ্ক্রিয় করছিল সুইজারল্যান্ড।

ম্যাচের ২০তম মিনিটে ডেকলান রাইসের দূরের একটি ভালো শট ঠেকিয়ে দেন সুইস ডিফেন্ডাররা। ১৬তম মিনিটে কোবি মাইনুর জোরালো শট সুইস রক্ষণে প্রতিহত হয়। এরপর প্রতিপক্ষের ডি বক্সের মধ্যে চ্যালেঞ্জের পর পড়ে গিয়ে পেনাল্টি দাবি করেন হ্যারি কেইন। তবে তবে আবেদনে সাড়া দেননি রেফারি দানিয়েল অরসাতো।

তৃতীয় কোয়ার্টার-ফাইনালে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা শেষ হয় ১-১ সমতায়/সংগৃহীত

১৭তম মিনিটে আরও একবার একক নৈপুণ্যে আক্রমণে ওঠেন মাইনু, তবে তাও এগিয়ে এসে লুফে নেন ইয়ান জমার। ১৯তম মিনিটে সুইজারল্যান্ডের আক্রমণ ইংলিশ রক্ষণে প্রতিহত হয়। এরপর ২১তম মিনিটে ডান দিকে বক্সের মধ্যে সতীর্থের বাড়ানো ক্রস ধরে প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করেই গোলমুখে ক্রস দেন সাকা, তবে সেখানে নিজেদের কেউ না থাকায় আক্রমণটি বৃথা যায়।

২৫তম মিনিটে ভিড়ের মাঝ থেকে সুযোগ পায় সুইজারল্যান্ড। তবে শেষ বেলায় জন স্টোনস সেটিকে নিষ্ক্রিয় করে দেন। এরপর বেশকিছু সময় ইংল্যান্ডের ডি বক্সের সামনে বল নিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকেন সুইসরা। ২৮তম মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেদ করে ছয় গজ বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েন সাকা, তবে সেখান থেকে শট নিলে সুইজারল্যান্ডের একজন ডিফেন্ডার দলকে বিপদমুক্ত করেন।

এরপর বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ফের আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে সুইজারল্যান্ড। তবে কয়েক মুহূর্ত পর ফের বল দখলে নিয়ে আক্রমণে ওঠে ইংল্যান্ড। এ সময় খেলা কিছুক্ষণের জন্য ঝিমিয়ে যায়। দুই দলই মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

এরপর ৪৫তম মিনিটে সাকার প্রচেষ্টায় একটি ভালো আক্রমণে যায় ইংল্যান্ড। তবে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষণে কাটা পড়ে সে আক্রমণ। পরের মিনিটে দ্রুতগতিতে পাল্টা আক্রমণে গিয়েছিল সুইজারল্যান্ড, তবে ইংল্যান্ডের ডি বক্সের ভেতরে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলে তারা। ফলে স্কোরবোর্ডে কোনো পরিবর্তন আনতে না পেরেই বিরতিতে যায় দুই বল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আক্রমণের চেষ্টা করে ইংল্যান্ড। বলের ওপর পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রেখে সুযোগ তৈরিতে মনোযোগী হয় তারা। তবে পাঁচ মিনিট পরই খেলায় ফেরে সুইজারল্যান্ড। এসময় অন্তত ২০ মিনিট ধরে ম্যাচে টানা প্রভাব বিস্তার করে তারা।

৫১তম মিনিটে সুইজারল্যান্ডের পক্ষ থেকে ম্যাচে প্রথম গোলে শট আসে। তবে ব্রিল এমবলোর শটটি ঠেকিয়ে দেন ইংলিশ গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। ৫৭ মিনিটে আরও একবার ভালো আক্রমণে ওঠে সুইজারল্যান্ড। ছয় গজ বক্সের মধ্যে সতীর্থের বাড়ানো নিচু ক্রসে হেডও দেন এমবলো, তবে জোর না থাকায় তা ইংল্যান্ডকে বিপদে ফেলতে পারেনি।

৫৯তম মিনিটে আবার একটি পাল্টা আক্রমণে ওঠে সুইজারল্যান্ড। তবে শেষ দিকে সতীর্থের অভাবে সেই আক্রমণটি আর ধার পায়নি। ৬১তম মিনিটে সুইসদের আরও একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়; ৬৩তম মিনিটে আরও একটি। ৬৬তম মিনিটে একটি ভালো সুযোগ নষ্ট করেন সুইজারল্যান্ডের মিখেল আইবিশার। সতীর্থের শট পিকফোর্ড ফিরিয়ে দিলে বক্সের সামান্য বাইরে তা পেয়ে যান একেবারে ফাঁকায় থাকা আরবিশার। তবে প্রথম ছোঁয়াতেই তা গোলে পরিণত করার চেষ্টা করলে তাড়াহুড়ায় পোস্টের বেশ ওপর দিয়ে বল বেরিয়ে যায়। ৬৯তম মিনিটে সুইসদের আরও একটি প্রচেষ্টা ইংলিশ রক্ষণে নিষ্ক্রিয় হয়।

দীর্ঘক্ষণ বল ধরে রেখে ইংল্যান্ডকে কোণঠাসা করে রাখায় এসময় উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সুইজারল্যান্ডের সমর্থকরা। উল্লাসে গ্যালারি গরম করে রাখে তারা। ৭২তম মিনিটে অবশেষে আক্রমণে উঠেও গোললাইনে জাকাকে ফাউল করে সেটি নষ্ট করেন বেলিংহ্যাম। এরপরই দারুণ একটি গেম ডেভেলপ করে গোল আদায় করে সুইজারল্যান্ড।

টানা দুটি ইউরোসহ এই নিয়ে পাঁচবার বড় টুর্নামেন্টের (বিশ্বকাপ, ইউরো) কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকে বিদায় নিল সুইসরা/সংগৃহীত

তবে ৭৫তম মিনিটে প্রাপ্য গোলটি পেয়ে যায় সুইসরা। ছোট ছোট পাসে এগিয়ে গিয়ে হঠাৎ করে বক্সের মধ্যে ডান পাশে থাকা এনডয়েকে পাস বাড়ান তার এক সতীর্থ। তিনি প্রথম ছোঁয়াতেই গোলমুখে এগোতে থাকা এমবলোকে লক্ষ্য করে জোরালো নিচু ক্রস দেন। এমবলো পাস ধরে পিকফোর্ডকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন।

গোল খেয়েই উজ্জীবিত হওয়ার চেষ্টা করে ইংল্যান্ড। সাউথগেটও ৭৮তম মিনিটে অবশেষে একসঙ্গে তিন ফুটবলার পরিবর্তন করেন। এরপর ৭৯তম মিনিটে ফের আক্রমণে উঠলে ইংল্যান্ডের প্রচেষ্টা রক্ষণে প্রতিহত হয়। গোল দিয়ে রক্ষণে মনোযোগী হয় সুইসরা। তবে রক্ষণাত্মক ফুটবলই কাল হয়ে দাঁড়ায় তাদের।

৮০ তম মিনিটে ডান পাশে বক্সের কিছুটা বাইরে থেকে দূরের পোস্টে বাঁকানো জোরালো শট নেন সাকা। গোলরক্ষক জরামকে পরাস্ত করে বল ঠিকানা খুঁজে নেয়। গোল পেয়ে আক্রমণে ধার বাড়ায় ইংল্যান্ড। ৮৩তম মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে কেইনের শট রক্ষণে প্রতিহত হয়।

এ সময় শিষ্যদের মাথা ঠাণ্ডা রাখতে ইঙ্গিত করতে দেখা যায় মুরাত ইয়াকিনকে। খানিকটা ধাতস্থ হয়ে ফের আক্রমণে ওঠা শুরু করে সুইজারল্যান্ড। তবে শেষ সময় চলায় দুই দলই সাবধানী ফুটবল খেলা শুরু করে। ফলে আক্রমণের ধার কিছুটা কমে যায়।

এরইমধ্যে ৮৭তম মিনিটে শেষ মুহূর্তে ভুল পাস দেওয়ায় ইংল্যান্ডের একটি সুযোগ নষ্ট হয়। পরের মিনিটে বক্সে ঢুকে ফাঁকায় থেকেও কাছের পোস্টে শটটি রাখতে ব্যর্থ হন বদলি নামা ইংলিশ ফুটবলার এবেরেচি এজা।

৮৯তম মিনিটে বক্সের বেশ বাইরে পাওয়া ফ্রি কিক থেকে বক্সের মধ্যে ভালো একটি ক্রস দেন ফোডেন। তবে লাফিয়ে উঠে মুষ্টি দিয়ে বল ক্লিয়ার করেন জমার। পরমুহূর্তে পাল্টা আক্রমণে উঠলেও শেষ শটে আকাশে বল মারেন সুইজারল্যান্ডের এক খেলোয়াড়।

এরপর যোগ করা তিন মিনিটের শেষ মিনিটে ডান পাশ থেকে সতীর্থের দারুণ একটি ক্রসে হেডার দিতে চেয়েও ব্যর্থ হন এমবলো। ফলে শেষ মুহূর্তে নিশ্চিত গোলের সুযোগ মিস করে অতিরিক্ত সময়ে খেলার প্রস্তুতিতে যায় দুই দল। অতিরিক্ত সময়ে মাঠে নেমেই বলের দখল ধরে রেখে গোলের সুযোগ খুঁজতে থাকে সুইজারল্যান্ড। তবে প্রায় মিনিট ‍দুয়েক পর ডান পাশে বক্সের বাইরে থেকে পোস্টের বাইরে দিয়ে শট নিয়ে সে সুযোগ নষ্ট করেন বদলি নামা স্টিভেন সুবার।

এরপর বল পেয়ে একই কৌশলে মনোযোগী হয় ইংল্যান্ড। ৯৫তম মিনিটে বক্সের বেশ বাইরে থেকে দারুণ একটি পোস্টঘেঁষা শট নেন রাইস। তবে ঝাঁপিয়ে বল বাইরে বের করে দেন জমার। ৯৭তম মিনিটে গোলের সামনে পিকফোর্ডকে দুর্বল পাস দিয়ে বিপদে পড়েই গিয়েছিলেন এজা, তবে পিকফোর্ড এগিয়ে এসে দলকে রক্ষা করেন।

এরপর অতি সাবধানী হতে গিয়ে খেলার গতি এত কমে যায় যে, খেলোয়াড়রা মাঠে হাঁটাহাঁটি শুরু করেন। ১০২ মিনিটে জটলার মধ্যে থেকে গোল খুঁজেছিলেন বেলিংহ্যাম, কিন্তু জমার তার শট ঠেকিয়ে দেন। পরে আবার দুই দলই স্লো ফুটবলে মনোযোগী হলে স্কোরবোর্ড অপরিবর্তিত রেখেই অতিরিক্ত সময়ের বিরতিতে যায় তারা।

শেষ ১৫ মিনিট খেলতে নেমে সুইস অধিনায়ক গ্রানিট জাকার সঙ্গে চ্যালেঞ্জে গিয়ে মাথায় আঘাত পান ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন। এরপর ফের বলের দখল নেয় সুইজারল্যান্ড। তবে আবারও ধীরগতির ফুটবল খেলতে থাকে তারা। অবশ্য আক্রমণের সুযোগও তৈরি হচ্ছিল এরইমধ্যে।

১০৮ মিনিটে একটি ভালো ক্রস যায় ইংল্যান্ডের বক্সে, তবে রক্ষণে তা কাটা পড়ে। এরপরই পাল্টা আক্রমণে গিয়ে চোট পান কেইন। এ সময় সুইস গোলদাতা এমবলোকে উঠিয়ে জেরদান শাকিরিকে মাঠে নামান ইয়াকিন। একইসঙ্গে কেইনকে উঠিয়ে ইভান টনিকে নামান সাউথগেট।

১১১ মিনিট থেকে আবারও প্রাণ ফিরতে থাকে খেলায়। দুই দলই গোলের চেষ্টা শুরু করে। ১১৩ মিনিটে সুইজারল্যান্ডের দারুণ একটি সুযোগ অল্পের জন্য ব্যর্থ হয়। প্রতিপক্ষের বক্সের সামনে বল পেয়েই শারীরিক সামর্থ্য দেখিয়ে দুই ইংলিশ খেলোয়াড়কে কাটিয়ে ডান দিকে পাস দেন সাকিরি। সেখান থেকে বল নিয়ে বক্সে ঢুকেও ঠিকমতো শট নিতে না পারায় বল বাইরে চলে যায়।

১১৬ মিনিটে ইংল্যান্ডে প্রচেষ্টা রুখে দিয়ে পাল্টা আক্রমণে ওঠে সুইজারল্যান্ড। তবে ঠিক সময়ে পাস ধরতে না পেরে সাকার রক্ষণে কাটা পড়েন সাকিরি। এরপর পাওয়া কর্নার থেকে গোল পেয়েই গিয়েছিলেন সাকিরি। তার ক্রস সরাসরি গোলে ঢুকছিল, কিন্তু ওপরের পোস্টে লেগে ফিরে যায়।

ম্যাচের এক মিনিট বাকি থাকতে সুইজারল্যান্ডের পরপর দুই আক্রমণে কেঁপে ওঠে ইংল্যান্ডের রক্ষণ। জিলভান ভিডমারের দারুণ শটটি পিকফোর্ড ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দিলে নিশ্চিত গোলের সুযোগবঞ্চিত হয় সুইসরা। পরমুহূর্তে সেখান থেকে নেওয়া ফিরতি শট পোস্টের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়।

এরপর এক মিনিট যোগ হলে আক্রমণে যায় ইংল্যান্ড। তবে সুইসদের জমাট রক্ষণে পার্থক্য গড়তে পারেননি সাকা-বেলিংহ্যামরা। ফলে টাইব্রেকারে গড়ায় ম্যাচের ভাগ্য।

টাইব্রেকারের প্রথম শটটি নেন ইংল্যান্ডের কোল পালমার। চেলসিতে শতভাগ পেনাল্টির রেকর্ড রাখা পালমার জমারকে ভুল দিকে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে নেন। এরপর সুইসদের হয়ে প্রথম পেনাল্টি নিতে এসে ব্যর্থ হন আকাঞ্জি। তার দুর্বল শটটি বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন পিকফোর্ড।

এরপর বেলিংহ্যামও জমারকে ভুল দিকে পাঠিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। দ্বিতীয় পেনাল্টি নিতে আসা ফাবিয়ান শার সফল হলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে ইংল্যান্ড। তৃতীয় পেনাল্টিতেও সফল হয় ইংল্যান্ড। গত আসরের ফাইনালে ব্যর্থ হলেও এবার আর ভুল করেননি বুকায়ো সাকা। এরপর সাকিরির সফল স্পট কিকে বেঁচে থাকে সুইসদের আশা।

ইভান টনিও ইংল্যান্ডের চতুর্থ স্পট কিকটি জালে জড়ান। জমার এবার ঠিক দিকে ঝাঁপিয়েও শট ঠেকাতে ব্যর্থ হন। এরপর পানেনকা শট থেকে গোল করে টাইব্রেকার শেষ শটে নিয়ে নিয়ে যান সেকি আমডুনি। তবে পঞ্চম ও শেষ শটে দুর্দান্ত এক স্পট কিকে ইংল্যান্ডকে জয়ের আনন্দে ভাসান ট্রেন্ট আলেকজান্ডার আর্নল্ড। ফলে এবারও কোয়ার্টার ফাইনালে টাইব্রেকারে হেরে হৃদয় ভাঙে সুইজারল্যান্ডের।

আর নকআউট পর্বের প্রথম দুই ধাপেই হারের মুখ থেকে ঘুরে দাঁড়াল ইংল্যান্ড। শেষ ষোলোয় স্লোভাকিয়ার বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও যোগ করা সময়ের শেষ দিকে বেলিংহ্যামের গোলে ম্যাচে ফেরে তারা। এরপর অতিরিক্ত সময়ে কেইনের গোলে ২-১ ব্যবধানে জেতে ইংল্যান্ড।

   

About

Popular Links

x