রাজধানী ঢাকার পূর্বাচলে শেখ হাসিনা আর্ন্তজাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নামে নৌকার আদলে স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সে অনুযায়ী পূর্বাচলে জমিও বরাদ্দ পেয়েছিল বিসিবি। তবে সেখানে আসছে পরিবর্তন। স্টেডিয়ামটি নৌকার প্রতিকৃতিতে হবে না বলে জানিয়েছেন বিসিবির নবনিযুক্ত সভাপতি ফারুক আহমেদ।
শনিবার (৩১ আগস্ট) বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ পূর্বাচল স্টেডিয়াম পরিদর্শন কালে এ কথা বলেন।
ফারুক আহমেদ বলেন, “নৌকার আদলে সেই স্টেডিয়াম হবে না। মাঠ করতে তো নৌকা বা স্কয়ার শেপের দরকার নেই। আপনার দরকার ওভাল শেপ। মাঠ করতে আমাদের যা দরকার হয়, আমরা সেটা করব। (আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজন) যদি ভালো ফ্যাসিলিটিজ পাই, তাহলে কেনো নয়? আমরা চাই সেরা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সেরা খেলাগুলো হোক। যদি গ্যালারি নাও থাকে, তবে মাঠ, উইকেট, ড্রেসিংরুম যদি ভালো হয়, এখানেও আমরা করতে পারি।”
২০৩১ সালে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপের সহ আয়োজক হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকার বাইরে বেশ কয়েকটি স্টেডিয়াম থাকলেও পর্যাপ্ত পরিচর্যার অভাবে অধিকাংশই অকেজো হয়ে পড়েছে। সেখানে আর আন্তর্জাতিক খেলা আয়োজন সম্ভব নয়। ফলে ক্রিকেট আয়োজনের চাপ বেড়ে গেছে ঢাকার স্টেডিয়াম গুলোতে। তাই এ চাপ কমানোর জন্য নৌকা প্রতিকৃতিতে শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম বানানোর পদক্ষেপ নিয়েছিল বিসিবি। তবে গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে সরকারের পতনের পর বিসিবিতেও আসে বড় ধরনের পরিবর্তন।
নাজমুল হাসান পাপনের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর বিসিবির বর্তমান সভাপতি ফারুক আহমেদ এই স্টেডিয়াম বানানোর প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনার আভাস দিয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে ফারুক আহমেদ বলেন, “আমাদের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধান ইচ্ছা ছিল মাঠগুলোর উন্নতি করা। উন্নতির পাশাপাশি যদি নতুন কোনো মাঠ আমরা বানাতে পারি, সেই ব্যাপারে চিন্তা করছিলাম। যেহেতু এটা আমাদের নিজস্ব জায়গায়, আর এটা নিয়ে একটা পরিকল্পনা ছিল, তাই এটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মাঠে রুপ দেওয়া যায়, এটা আমাদের প্রাধান্য থাকবে। আমাদের যেসব মাঠ সংস্কাররের কথা ছিল, সেটার সাথে এটাও যুক্ত হবে। এখানে দুইটা মাঠের কথা থাকলেও বাজেটের কারণে আমরা এখন একটা মাঠ বানানোর চেষ্টা করব। এরপর অন্যটার কথা চিন্তা করব। আমরা শীঘ্রই এই কাজ শুরু করব। আমাদের অনেক খেলা আছে বয়সভিত্তিক দল থেকে শুরু করে নারী ক্রিকেট, ঘরোয়া ক্রিকেট, তাই আমাদের মাঠ দরকার।”



