ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ চলাকালীন টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে নিজের অবসরের ঘোষণা করেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন যে অক্টোবরে শুরু হতে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মিরপুর টেস্ট খেলার মধ্য দিয়েই নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের ইতি টানতে চান তিনি। তবে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালীন সাকিবের চুপ থাকাটা মেনে নিতে পারেননি অনেকেই। সেই ঘটনার রেশ ধরেই নিরাপত্তাজনিত কারণে দেশে এসে বিদায়ী টেস্ট খেলতে পারেননি সাকিব। আন্দোলন চলাকালীন চুপ থাকার ব্যাখ্যাস্বরুপ ফেসুবকে একটি পোস্ট দেন সাকিব। এরপর ঘটনা আরও খারাপ দিকে প্রবাহিত হওয়া শুরু করে।
রবিবার (২০ অক্টোবর) দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজকে সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলন করতে আসেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেন, “বিতর্ক এড়াতে এখন থেকে আমাকেও প্রতিদিন ফেসবুকে কিছু লিখে পোস্ট করতে হবে।”
গত আওয়ামী সরকারের আমলে সংসদ সদস্য হওয়ায় ও আন্দোলন চলাকালীন নীরব থাকায় সাধারণ মানুষের ভেতর ক্রোধের জন্ম নিয়েছে। তবে সাকিবকে ঘিরে পুরো সিরিজের পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন শান্ত। শেষ পর্যন্ত সমর্থকদের ক্ষোভে সাকিব দেশে আসতে না পারায় কিছুটা হতাশ হন শান্ত। সংবাদ সম্মেলনে শান্ত হেসে বলেন, “এখন যত কথা বলবো, এখান থেকে কোনো কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। কারণ আমরা সবাই জানি কেন উনি আসতে পারছেন না। এখন বর্তমান সময়ে যে অবস্থা, ফেসবুকে একটা করে স্ট্যাটাস দিলে সবকিছু সমাধান হয়ে যায়, চিন্তা করতেছি প্রতিদিন একটা করে আমিও স্ট্যাটাস দেবো।”
উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ২ ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচটি সোমবার মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে।



