বৈশ্বিক ফুটবলারদের সংগঠন ফিফপ্রোর বিশ্বসেরা একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন লিওনেল মেসি। ফলে দীর্ঘ ১৭ বছর পর আর্জেন্টাইন সুপারস্টারকে ছাড়াই গঠিত হলো ফিফার বর্ষসেরা একাদশ। ২০০৬ সালের পর যে এই প্রথম ফুটবলারদের ভোটে নির্বাচিত বছরের সেরা একাদশে নেই আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
শুরুটা হয়েছিল ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর। পেশাদার ফুটবলারদের ভোটে প্রথমবার ফিফপ্রো বিশ্ব একাদশে জায়গা করে নিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তারই অবসান হলো ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর। ৭০ দেশের খেলোয়াড়দের ভোটে নির্বাচিত বর্ষসেরা দলে নেই আর্জেন্টিনার মহাতারকা।
মেসি একাই নন, সেরা ১১ জনের দলে জায়গা পাননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও। এর আগে গেল মৌসুমের ব্যালন ডি-অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পাননি যুগের দুই কিংবদন্তি।
মেসি ও রোনালদো ২৬ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় নির্বাচিত হয়েই আলোচনায় চলে এসেছিলেন। ইউরোপের বাইরের লিগে খেলা খেলোয়াড়দের মধ্যে শুধু মেসি-রোনালদোই জায়গা পেয়েছিলেন সংক্ষিপ্ত তালিকায়।

অবশ্য চূড়ান্ত একাদশটা শুধু ইউরোপ না, বলতে গেলে সীমাবদ্ধ হয়ে গিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ এবং ম্যানচেস্টার সিটির মাঝে। চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী রিয়াল মাদ্রিদের ছয়জন এবং ম্যানচেস্টার সিটির চারজন ফিফপ্রো একাদশে নাম লিখেছেন।
সর্বোচ্চ ১১,১৭৬ ভোট পেয়েছেন মাদ্রিদ ক্লাবের মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম। আক্রমণভাগে আছেন আর্লিং হাল্যান্ড, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়াস জুনিয়র। বর্ষসেরা পুরুষ দলে রিয়াল ও সিটির বাইরে কেবল লিভারপুল ডিফেন্ডার ভার্জিল ফন ডাইক আছেন।
পুরুষদের বিশ্বসেরা একাদশ
গোলরক্ষক: এডারসন (ম্যানচেস্টার সিটি, ব্রাজিল)
ডিফেন্ডার: দানি কারভাজাল (রিয়াল মাদ্রিদ, স্পেন), ভিরগিল ফন ডাইক (লিভারপুল, নেদারল্যান্ডস), আন্তোনিও রুডিগার (রিয়াল মাদ্রিদ, জার্মানি)
মিডফিল্ডার: জুড বেলিংহাম (রিয়াল মাদ্রিদ, ইংল্যান্ড), কেভিন ডি (ম্যানসিটি, বেলজিয়াম), টনি ক্রুস (রিয়াল মাদ্রিদ, জার্মানি), রদ্রি (সিটি, স্পেন)
ফরোয়ার্ড: আরলিং হালান্ড (ম্যানসিটি, নরওয়ে), কিলিয়ান এমবাপে (প্যারিস সেন্ট জার্মেই/রিয়াল মাদ্রিদ, ফ্রান্স), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ, ব্রাজিল)
নারীদের বিশ্বসেরা একাদশ
গোলরক্ষক: মেরি ইয়ার্পস (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড/প্যারিস সেন্ট জার্মেই, ইংল্যান্ড)
ডিফেন্ডার: লুসি ব্রোঞ্জ (বার্সেলোনা/চেলসি, ইংল্যান্ড), ওলগা কারমোনা (রিয়াল মাদ্রিদ, স্পেন), অ্যালেক্স গ্রিনউড (ম্যানসিটি, ইংল্যান্ড)
মিডফিল্ডার: আইতানা বনমাতি (বার্সেলোনা, স্পেন), অ্যালেক্সিয়া পুটেলাস (বার্সেলোনা, স্পেন), কেইরা ওয়ালশ (বার্সেলোনা, ইংল্যান্ড)
ফরোয়ার্ড: বারব্রা বান্দা (সাংহাই শেংলি/অরল্যান্ডো প্রাইড, জাম্বিয়া), লিন্ডা কেসেডো (রিয়াল মাদ্রিদ, কলম্বিয়া), লরেন জেমস (চেলসি, ইংল্যান্ড), মার্তা (অরল্যান্ডো প্রাইড, ব্রাজিল)



