তিন সংস্করণের ক্রিকেটকেই বিদায় বলে দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মুশফিককে এখন শুধু দেখা যায় টেস্ট ক্রিকেটে। বিদায় বলেছেন সাদা বলের দুই সংস্করণকেই। বাংলাদেশ দলের সাবেক এই দুই অধিনায়কেরই ভবিষ্যৎ লক্ষ্য এখন আন্তর্জাতিক কোচ হওয়া।
রবিবার (১ জুন) বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে (বিএসজেএ) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিসিবির নতুন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
তিনি বলেন, ‘‘আমি বিসিবিতে যোগ দেওয়ার আগেই আমার সঙ্গে মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ যোগাযোগ করেছে। তারা আন্তর্জাতিক কোচ হতে চায়।’’
২০২১ সালের জুলাইয়ে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় বলা মাহমুদউল্লাহ জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাওয়ালপিন্ডিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচে। এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেন তিনি।
মাহমুদউল্লাহর মতো মুশফিকেরও শেষ ওয়ানডে রাওয়ালপিন্ডিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচে। শেষ টি-টোয়েন্টি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। তবে টেস্ট ক্রিকেটে এখনো দেখা যায় এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানকে। তবে দুজনেই ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলছেন।
বাংলাদেশের ক্রিকেটের ‘‘পঞ্চপাণ্ডব’’ বলা হতো পাঁচ ক্রিকেটার- মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। এদের মধ্যে প্রথম দুজন রাজনীতিতে জড়ানোয় তাদের ভবিষ্যৎ-ভাবনা সম্পর্কে কিছুটা আঁচ করা যায়।
পঞ্চপাণ্ডবের আরেকজন হলেন তামিম ইকবাল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া জাতীয় দলের আরেক সাবেক ক্রিকেটার এখনও ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছেন। ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গেও সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও দেখা যেতে পারে সাবেক এই অধিনায়ককে।
প্রথম তিন জন খেলোয়াড় বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় থাকলেও বাকি দুই খেলোয়াড় মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহকে খেলার বাইরে তেমন পাওয়া যেত না। অবসরের পর তারা দুজন কী করবেন- সে বিষয়ে কখনও কিছু বলেননি তারা।
বিসিবির নতুন সভাপতি বুলবুল আজ সেই অজানা কথাটাই বলে জানালেন নিজের একটা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও। ক্রিকেট বোর্ডের মাধ্যমেই কোচদের ট্রেনিং এডুকেশন প্রোগ্রাম চালানোর ইচ্ছা রয়েছে তার।



