Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নতুন করারোপে ল্যাপটপ-কম্পিউটারের দাম ৫৫% বাড়তে পারে

২০২২–২৩ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে আমদানি করা ল্যাপটপ, প্রিন্টার এবং টোনার কার্টিজের ওপর ১৫% ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে 

আপডেট : ২২ জুন ২০২২, ১২:১১ পিএম

আমদানি করা ল্যাপটপ,  প্রিন্টার ও টোনার কার্টিজের ওপর প্রস্তাবিত ১৫% মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) প্রত্যাহারের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি।

মঙ্গলবার (২২ জন) বাজেট-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় এক বিবৃতিতে সংস্থাটি ১৯৯৮ সালে কম্পিউটারের ওপর সব ভ্যাট এবং ট্যাক্স বাতিলের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের তথ্য প্রযুক্তিতে অগ্রণী উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাইরের দেশের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, একই কম্পিউটারের সব উপাদানই আলাদাভাবে কেনার জন্য অতিরিক্ত খরচ প্রয়োজন হয়। ফলে একই কম্পিউটারের দাম বিদেশ এবং বাংলাদেশে ভিন্ন হয়।

এ কারণে বাংলাদেশে ৯৯% ল্যাপটপ অ্যাসেম্বল অবস্থায় আমদানি করা হয়। তবে স্থানীয়ভাবে অ্যাসেম্বল এবং তৈরি করা ল্যাপটপের জন্য ইতোমধ্যে ১৪% পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, তবে দুঃখের বিষয় এই যে, ২০২২–২৩ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে আমদানি করা ল্যাপটপ, প্রিন্টার এবং টোনার কার্টিজের ওপর ১৫% ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন মূসক আরোপের কারণে ল্যাপটপ কম্পিউটার আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য মোট করভার দাঁড়াবে ৩১%।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়, করোনাভাইরাস মহামারি এবং সেই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান শিপিং খরচের কারণে এরই মধে আমদানি করা ল্যাপটপের দাম ৩০% বেড়েছে। আর সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের মূল্যবৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশে কম্পিউটারের দাম অতিরিক্ত ১০% বেড়েছে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির বিবৃতিতে বলা হয়, আমাদের আশঙ্কা, অতিরিক্ত ১৫% ভ্যাট আরোপের ফলে  ল্যাপটপ-কম্পিউটারের দাম মোট ৫৫% বাড়বে। ফলে একটি ল্যাপটপ কম্পিউটারের ন্যূনতম মূল্য মধ্যবিত্ত-নিম্ন মধ্যবিত্ত শিক্ষার্থী, ছোট ও মাঝারি ব্যবসা এবং ফ্রিল্যান্সারদের নাগালের বাইরে চলে যাবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নাগালের বাইরে যাওয়া কম্পিউটারকে ১৯৯৮ সালে করমুক্ত করার মাধ্যমে সবার জন্য সহজলভ্য করা হয়েছিল। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, ব্যবসা, অফিসের কাজসহ সব ক্ষেত্রেই কম্পিউটার নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি জিনিসে পরিণত হয়ে পড়েছে।

এতে আরও বলা হয়, করোনাভাইরাস মহামারি চলাকালে বাংলাদেশের বিভিন্ন জরুরি কার্যক্রম যেমন: স্বাস্থ্যসেবা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সেবা, দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা, স্কুলের অনলাইন ক্লাস সর্বোপরি জনজীবনকে সচল রাখার মতো সবকিছুই কম্পিউটারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছিল।

About

Popular Links