গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা গত এক বছরের তুলনায় কমেছে। অপারেটরটির মোট গ্রাহকের ৫৫% (৪.৩৬ কোটি) ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। যা ২০২১ সালের শেষের তুলনায় ২.২% হ্রাস পেয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) অপারেটর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে গ্রামীণফোনের ২০২২ সালের আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্রামীণফোন ২০২২ অর্থবছরে ১৫ হাজার ৪০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে। ২০২২ সালের একই সময়ের তুলনায় রাজস্ব বৃদ্ধির হার ৫.১%। বছর শেষে গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭.৯১ কোটি।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে- ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর দেশের মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১১৩.৭৩ মিলিয়ন। ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর যা দাঁড়ায় ১১৩.৪৪ মিলিয়ন।
গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, “২০২২ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে বাহ্যিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও গ্রামীণফোন নিজেদের পারফরমেন্সে উন্নতি বজায় রেখেছে। ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে বছর শেষ করেছে। নেটওয়ার্কে ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগ, নতুন তরঙ্গের ব্যবহার, মোট সাইটের সংখ্যা ২০ হাজারে উন্নীত করার মাইলফলক অর্জন করেছে। পাশাপাশি ১৯.৬ হাজার ফোরজি সাইট নেটওয়ার্কে যুক্ত করার মতো বিভিন্ন উদ্যোগ বছরপ্রতি ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি আরও বলেন, “টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ২০২২ সালের ২৯ জুন আমাদের সিম কার্ড বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়, যা বছরের দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের গ্রাহক প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।”
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২২ সালের শেষে ফোরজি ডেটা ব্যবহারকারী বৃদ্ধি পেয়েছে ২৩.৬% এবং বছর শেষে মোট ফোরজি গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩.৪২ কোটিতে। ধারাবাহিক গঠনমূলক আলোচনার ফলশ্রুতিতে পরবর্তীতে এ বছরের ২ জানুয়ারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিম বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠানটি কর, ভ্যাট, শুল্ক, ফি, ফোরজি লাইসেন্স ও তরঙ্গ বরাদ্দ বাবদ ১০ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে।



