বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সিদ্ধান্ত নিয়েছে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ১০টি মোবাইল ফোন সিম (সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিটি মডিউল) কার্ড নিতে পারবেন অর্থাৎ একজনের নামে ১০টি সিম নিবন্ধন করা যাবে।
এর আগে, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ড্রাইভিং লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধন সনদ ও পাসপোর্ট দিয়ে সব মোবাইল ফোন অপারেটর মিলিয়ে ১৫টি সিম নিতে পারতেন গ্রাহকরা।
জানা গেছে, বিটিআরসি ১৯ মে এক সভায় সিমের সংখ্যা কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় । এরই মধ্যে বিষয়টি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা, অপারেটরদের অসুস্থ প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য দেশে সিম ব্যবহারের সর্বোচ্চ সীমা বিবেচনায় একজনের নামের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০টি সিম রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া, কমিশন তাদের পর্যালোচনায় জানতে পেরেছে, এত সিম একজন গ্রাহক ব্যবহার করেন না। যাদের ১৫টি করে সিম রয়েছে তারা একসঙ্গে ৫-৬টির বেশি সিম চালু রাখেন না।
একজন গ্রাহকের বিপরীতে একাধিক সিম নিবন্ধন করার সুযোগ রাখার কারণ হিসেবে বিটিআরসি জানায়, অনেক প্রবীণ ব্যক্তির আঙুলের ছাপ স্পষ্টভাবে পাওয়া যায় না।
আরও জানা গেছে, প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের নানা প্রান্তে কিছু অপরাধী চক্র জালিয়াতি করছে। অন্যদিকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরাধ বাড়ছে। এসব অপকর্ম ঠেকাতে বিটিআরসি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রসঙ্গত, অপরাধ দমনে ২০১৫ সালে বিটিআরসি জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে সিম নিবন্ধন চালু করে। ২০১৭ সালে একজন ব্যবহারকারীর জন্য সিমের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয় ১৫টি।



