Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু, ন্যায়বিচার চাইলেন বাবা

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে প্রথম সাক্ষী দেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা

আপডেট : ০২ জুন ২০২৬, ১২:৪২ পিএম

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে প্রথম সাক্ষী দেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। 

এসময় তিনি রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যায় ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজার দাবি জানান। এরপর রামিসার মা পারভীন আক্তার সাক্ষী দেন বলে জানা গেছে।

এদিন, আসামি সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা ও প্রতিবেশীদের সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে, সকাল পৌঁনে নয়টার দিকে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় পরে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হলে তাদের এজলাসে তোলা হয়।

এরআগে, সোমবার মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত। 

এদিকে, গতকাল আদালতে আনা হলে সোহেল রানা আরো কিছু তথ্য দেন। ওই সময় উপস্থিত পুলিশ ও সাংবাদিকদের সামনে তিনি ডলার নামে এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেন। তাকে বলতে শোনা যায়,  “আমি শুধু বাচ্চারে টুকরো করেছি, ধর্ষণ করেছে ডলার, মারছে ডলার।” তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার নির্দোষ বলেও দাবি করেন তিনি। 

১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওইদিন সকালে পাশের ফ্লাটের বাসিন্দা ৩২ বছরের সোহেল শিশুটিকে গলা কেটে হত্যার পর মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করেন। এরপর ফ্ল্যাটের সাবলেট এই ভাড়াটে গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। তবে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ঘরেই ছিলেন। পুলিশ বাসা থেকে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় সোহেলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুইজনকে আসামি করে সেদিনই পল্লবী থানায় মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত করে গত ২৪ মে তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান দুইজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত অভিযোগপত্রটি দেখে বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় বদলির আদেশ দেন। মামলাটি ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ওইদিনই বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। 

   

About

Popular Links

x