ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে চারটি অনুষদের অধীনে ২৩টি বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ে। এছাড়া, চালু থাকবে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পাঠদান। দেশে এই প্রথম কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পাঠদান।
ঢাকার সরকারি সাত কলেজের জন্য প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০% ক্লাস হবে অনলাইনে, আর বাকি ৬০% ক্লাস সশরীরে অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারি সাত কলেজের জন্য প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সংক্রান্ত কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের রুটিন দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব মো. মজিবর রহমান এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থা হবে ইন্টার ডিসিপ্লিনারি ও হাইব্রিড ধরনের, যেখানে ৪০% ক্লাস অনলাইন এবং ৬০% অফলাইনে (সশরীরে) অনুষ্ঠিত হবে। সব ধরনের পরীক্ষা সশরীরে অনুষ্ঠিত হবে।”
অতিরিক্ত সচিব বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে সব শিক্ষার্থী প্রথম চারটি সেমিস্টারে নন-মেজর কোর্স অধ্যয়ন করবেন। পরবর্তী চার সেমিস্টার ডিসিপ্লিন অনুযায়ী মেজর কোর্স অধ্যয়ন করবেন। তবে পঞ্চম সেমিস্টারে শর্তপূরণ সাপেক্ষে শিক্ষার্থীরা ইচ্ছানুযায়ী ডিসিপ্লিন পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে ক্যাম্পাস পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে না।”
জানা গেছে, ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ—এই সাতটি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত কাঠামোর ভিত্তিতে গড়ে উঠছে নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়।
নতুন প্রতিষ্ঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে প্রাথমিকভাবে চালু হচ্ছে চারটি অনুষদ বা স্কুল। এগুলো হলো- সায়েন্স; আর্টস অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ; বিজনেস স্টাডিজ ও ল অ্যান্ড জাস্টিস।
৪০% ক্লাস হবে অনলাইনে, আর ৬০% অফলাইনে। তবে সব পরীক্ষা দিতে হবে সশরীরে। প্রথম চার সেমিস্টারে পড়ানো হবে নন-মেজর বিষয়, আর পরবর্তী চার সেমিস্টারে শিক্ষার্থীরা পড়বেন মেজর বিষয়ে। পঞ্চম সেমিস্টারে শর্তসাপেক্ষে ডিসিপ্লিন পরিবর্তনের সুযোগ থাকলেও কলেজ পরিবর্তন করা যাবে না।
স্নাতক পর্যায়ে মোট ২৩টি বিষয়ের প্রতিটিতে সর্বোচ্চ ৪০ জন করে শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবেন। রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের মধ্যে পাঁচটিতে আগেই একাদশ শ্রেণির পাঠদান চালু ছিল, এবার ইডেন কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজেও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
ফলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে এবারই প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার ধারাও যুক্ত হচ্ছে। একই ক্যাম্পাসে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতকের শিক্ষার্থীরা সময়সূচি, স্থান ও সম্পদ ভাগাভাগির মাধ্যমে ক্লাস করবেন।



