বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন আজ টাঙ্গাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হচ্ছে। সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সারা দেশের কৃষকদের একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
কারা পাবেন
প্রাথমিকভাবে ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার প্রায় ২২ হাজার কৃষকের মধ্যে কার্ড বিতরণ শুরু হচ্ছে।
ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড়—এই পাঁচ শ্রেণির কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যজীবী, খামারি ও লবণচাষীরাও অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন।
তবে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্যভুক্ত।
কীভাবে পাবেন
স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও কৃষক নেতাদের সমন্বয়ে আগেই কৃষকদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে।
তালিকাভুক্তদের নামেই সরাসরি কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে এবং তাদের জন্য ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে।
এই কার্ডটি ডেবিট কার্ড হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।
কী সুবিধা মিলবে
কার্ডধারীরা ন্যায্যমূল্যে সার-বীজ ও কৃষি উপকরণ, স্বল্পমূল্যে কৃষিযন্ত্র এবং সহজ শর্তে কৃষিঋণ পাবেন।
এছাড়া সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা সরাসরি পাওয়া যাবে, পাশাপাশি মোবাইলের মাধ্যমে বাজারদর, আবহাওয়ার তথ্য ও কৃষি পরামর্শ দেওয়া হবে। ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য বছরে অন্তত আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে, যা সরাসরি ব্যাংক হিসাবে জমা হবে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সরকার জানিয়েছে, প্রি-পাইলটিং শেষে পাইলট প্রকল্প চালু করে আগামী কয়েক বছরে সারা দেশে এই কার্ড বিতরণ ও পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরির কাজ সম্পন্ন করা হবে।



