ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশের সার্ভিস লেন সাধারণ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় অংশটির উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
২০২২ সালের ১২ নভেম্বর দেশের দ্বিতীয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়। রাজধানীর যানজট কমানোর পাশাপাশি ঢাকা ও দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে দ্রুত সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করাই এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের তথ্যানুযায়ী, দেশের প্রথম ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) মডেলে বাস্তবায়িত হলেও ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি বিদেশি ঋণের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হচ্ছে। চীনের চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন (সিএমসি) প্রকল্পটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে। এতে অর্থায়ন করছে চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক (চায়না এক্সিম ব্যাংক)।
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল অংশের দৈর্ঘ্য হবে ২৪ কিলোমিটার। এর সঙ্গে মোট ১০ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ১৪টি র্যাম্প থাকবে।
এছাড়া প্রকল্পের আওতায় নবীনগরে ১ দশমিক ৯৫ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ফ্লাইওভার এবং আশুলিয়া-ধউর বাঁধ সড়ক বরাবর ২ দশমিক ৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রকল্প এলাকায় ১৪ দশমিক ২৮ কিলোমিটার সড়ক এবং ১৮ কিলোমিটার ড্রেনেজ ডাক্ট নির্মাণের কাজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সরাসরি এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। এর ফলে আন্তঃসীমান্ত সড়ক যোগাযোগ আরও সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এ এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-জামালপুর, ঢাকা-মানিকগঞ্জ-তেঁতুলিয়া এবং ঢাকা-মাওয়া-বরিশাল মহাসড়কের সঙ্গে নির্বিঘ্ন সংযোগ স্থাপনে ভূমিকা রাখবে। এর ফলে দেশের সড়ক পরিবহন নেটওয়ার্ক আরও উন্নত হবে।
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী যানবাহনকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত হারে টোল পরিশোধ করতে হবে।



