Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আমরণ অনশনে কুয়েট শিক্ষার্থীরা

এক দফা দাবি আদায়ে তারা অনশন শুরু করেছেন

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:৫২ পিএম

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীরা আলোচনার প্রস্তাব গ্রহণ করলেও আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অনড় রয়েছেন।

সোমবার (২১ এপ্রিল) বিকেল পৌনে ৪টায় শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আমরণ অনশন শুরু করেছেন। এ সময় ছাত্র কল্যাণ পরিচালকের নেতৃত্বে একটি টিম আলোচনার জন্য সেখানে যান।

শিক্ষার্থীরা জানান, এক দফা দাবি আদায়ে তারা অনশন শুরু করেছেন। এ সময় ছাত্র কল্যাণ পরিচালকসহ শিক্ষকদের একটি টিম সেখানে আসেন এবং আলোচনা করবেন বলে জানান। এর আগে তারা সংবাদ সম্মেলনে আলোচনা কথা জানান।

এদিকে অনশন চলাকালে কুয়েটের ছাত্র কল্যাণ পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আব্দুল্লাহ ইলিয়াছ আক্তার সেখানে হ্যান্ড মাইক দিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সহজ হয়। যার যার অবস্থানে অনড় থাকলে সমস্যা আরও বাড়ে। আমরা সমস্যার সমাধান চাই।”

এর আগে রবিবার কুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদকে অপসারণের দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিল শিক্ষার্থীরা। দাবি পূরণ না হওয়া সাপেক্ষে আজ (সোমবার) তারা আমরণ অনশন শুরু করেছেন।

এদিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্র কল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক আব্দুল্লাহ ইলিয়াস আক্তার। তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা করছে দ্রুতই কুয়েটের জটিলতার সমাধান আসবে।”

যদিও এমন কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারী একজন শিক্ষার্থী।

উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় শতাধিক আহত হন। পরদিন প্রশাসনিক ভবনসহ সব একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। ওই দিন দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় কুয়েটে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি সব আবাসিক হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পরে আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়ার দাবিতে শিক্ষার্থীরা ১৩ এপ্রিল বিকেল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিলে আন্দোলন আবারও দানা বাঁধতে থাকে। গত সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্তের কথা জানায় কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে আগামী ২ মে থেকে আবাসিক হল খুলে দেওয়া ও ৪ মে থেকে সব শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত হয়।

গত মঙ্গলবার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উপাচার্য মুহাম্মদ মাছুদের পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা দেন। ঘোষণার পর আন্দোলনকারীরা কুয়েটের ছেলেদের ছয়টি হলের তালা ভেঙে হলগুলোতে অবস্থান নেন।

   

About

Popular Links

x