Saturday, September 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘প্রয়োজনীয় শর্ত’ মেনে গাজায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েল, জানালেন ট্রাম্প

চুক্তি প্রত্যাখ্যান করলে হামাসকে আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে বলে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

আপডেট : ০২ জুলাই ২০২৫, ০৩:০৩ পিএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনের গাজায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চূড়ান্ত করার জন্য ‘‘প্রয়োজনীয় শর্তাবলি’’ মেনে নিয়েছে ইসরায়েল।

বুধবার (২ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘‘প্রস্তাবিত চুক্তি কার্যকর থাকার সময় যুদ্ধ বন্ধে (স্থায়ীভাবে) আমরা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করব।’’ তবে চুক্তির শর্তের বিষয়ে ট্রাম্প বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করেননি।

চুক্তি প্রত্যাখ্যান করলে ভবিষ্যতে হামাসকে আরও কঠিন পরিস্তিতির মুখোমুখি হতে হবে জানিয়ে ট্রাম্প তার পোস্টে আরও লেখেন, ‘‘শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তায় কাতার ও মিশরবাসী কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তারাই চূড়ান্ত চুক্তির প্রস্তাব দেবেন। আশা করি, হামাস চুক্তিটি গ্রহণ করবে। কারণ এটি আর ভালো হবে না; বরং এটি শুধু আরও খারাপ হতে পারে (অর্থাৎ এ চুক্তিই হামাসের জন্য সবচেয়ে ভালো সুযোগ। যদি তারা এটি প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে ভবিষ্যতে হয়তো আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে)।’’

এদিকে গাজা উপত্যকার প্রতিটি স্থানই ফিলিস্থিনিদের জন্য মরণফাঁদ হয়ে উঠেছে। ত্রাণকেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি কোনো সতর্কতা ছাড়া এবার ক্যাফেতেও হামলা চালানো শুরু করেছে দখলদার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

গত সোমবার ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা ও গুলিতে কমপক্ষে ৭৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

মার্কিন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) খবরে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে সমুদ্রতীরবর্তী ক্যাফে আল-বাকাতে ৩০ জন এবং খাবারের সংগ্রহ করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে ২৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। জাওয়াইদা শহরের কাছে একটি ভবনে চালানো আরেক হামলায় ছয়জন নিহত হন বলে জানিয়েছে আল-আকসা হাসপাতাল।

গাজা শহর থেকে মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ জানান, ক্যাফেতে হামলার আগে কোনো ধরনের সতর্কতা দেওয়া হয়নি। এই এলাকা অনেক বিপর্যস্ত ও বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এখানকার তাঁবুগুলোর মধ্যে ভীষণ গরম থেকে কিছুটা মুক্তির সুযোগ ছিল। বিস্ফোরণের তীব্রতার কারণে রক্তের দাগ এখনো মাটিতে ছড়িয়ে রয়েছে। অনেক লাশ ও শরীরের অংশ খণ্ড খণ্ড অবস্থায় এখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

   

About

Popular Links

x