রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ডলারের চাহিদা কমে যাওয়ায় গত সাতদিনে মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশের টাকার মান শক্তিশালী হয়েছে। এ সময়ে ডলারের দর প্রায় ২.৯০ টাকা কমেছে।
রবিবার (১৩ জুলাই) বেশিরভাগ ব্যাংক ডলার প্রতি ১২০ টাকা দরে রেমিট্যান্স কিনেছে, যা আগের সপ্তাহের শুরুতে ১২২.৮০–১২২.৯০ টাকা ছিল।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) কিছু ব্যাংক সর্বোচ্চ ১২০.৫০ টাকা পর্যন্ত রেমিট্যান্স ডলার কিনলেও, দিনশেষে কোনো ব্যাংকই ১২০ টাকার বেশি দিতে রাজি হয়নি বলে জানিয়েছে বিভিন্ন ফরেন এক্সচেঞ্জ হাউজ।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শুল্ক আলোচনার অগ্রগতি এবং আমদানি চাহিদা কমে যাওয়াও ডলারের দরপতনে ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালুর পর সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের ধারাবাহিক দরপতন বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা কমাতে সহায়ক হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর ডলারের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। মাত্র দুই কার্যদিবসে ডলার-টাকার বিনিময় হার দুই দফা রেকর্ড ভেঙে ১২৮ টাকায় পৌঁছায়। পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপে ডলারের দর কমে আসে। তখন অস্বাভাবিক দামে রেমিট্যান্স কেনার অভিযোগে ১৩টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়।
চলতি বছরের মে মাসের মাঝামাঝি আইএমএফ-এর শর্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থা প্রবর্তন করে। যে পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্টরা নিজেদের মধ্যে দর ঠিক করে ডলার লেনদেন করতে পারে। এরপর থেকেই ডলারের দর কমতে করে।



বাজারভিত্তিক ডলার দর চালুর ঘোষণা দিলেন গভর্নর