Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্লাস্টিকের পট দিয়ে ‘হেডমাস্ক’ বানিয়ে শিশুদের অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে

হেডমাস্কের অভাবে হামে আক্রান্ত শিশুদের অনিরাপদ স্থানীয় পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে বরিশাল মেডিকেলে

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৫ পিএম

বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এর ফলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হেডমাস্কের সংকট দেখা দিয়েছে।

হেডমাস্কের অভাবে হামে আক্রান্ত শিশুদের অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে প্লাস্টিকের পট কেটে তৈরি করা হেডমাস্ক দিয়ে। হাসপাতালের দোতলায় শিশু ওয়ার্ডের হাম আইসোলেশন ইউনিটে এমন চিত্র দেখতে পান স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কর্মীরা।

দেখা গেছে, গৃহস্থালিতে ব্যবহার হয় এমন প্লাস্টিকের পট কেটে শিশুর মাথা ঢেকে দিয়ে ওপরের অংশে ছিদ্র করে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। পটের সামনের অংশ গামছা বা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হচ্ছে।

প্লাস্টিকের পট দিয়ে তৈরি এ বিকল্প পদ্ধতিতে অক্সিজেন সরবরাহ করায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকরা।

অভিভাবকরা বলছেন, এ পদ্ধতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্লাস্টিক পটের ধারালো অংশ বা চাপের কারণে শিশুর গলা কেটে যেতে পারে। কোটি টাকার যন্ত্রপাতি থাকলেও অল্প দামের মাস্ক না থাকাটা দুঃখজনক।

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. মশিউল মুনীর সংবাদমাধ্যমকে জানান, এভাবে স্থানীয় পদ্ধতিতে অক্সিজেন দেওয়ার বিষয়টি তার জানা ছিল না। এ পদ্ধতি নিরাপদ নয় এবং এতে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

আগামী ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় হেডমাস্কের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বিভিন্ন সংকট দীর্ঘদিনের। শয্যা সংকটের কারণে এক বিছানায় তিন-চারজন শিশুকে রেখে চিকিৎসা দেওয়া নিয়মিত ঘটনা। এর মধ্যেই অতি প্রয়োজনীয় অক্সিজেন মাস্কের সংকটের বিষয়টি সামনে এলো।

   

About

Popular Links

x