Sunday, July 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

টানা বৃষ্টি ও জ্বালানি সংকটে রাজধানীতে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

এতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন  

আপডেট : ০১ মে ২০২৬, ০১:১৮ পিএম

জ্বালানি সংকটে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি এবং কয়েকদিন টানা বৃষ্টির কারণে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে নিত্যপণ্য চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে। 

শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর মুগদা, তেজগাঁও, শান্তিনগর, মোহাম্মদপুর এলাকার বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায়, চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, ডিম, মাছ-মাংস থেকে শুরু করে সবজির দাম একযোগে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বাজার করতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ।

সরিজমিনে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। পোলাও চালের দাম কেজিতে আরও ১৫ টাকা বেড়েছে। তাতে এক কেজি পোলাও চালের প্যাকেটের নতুন দাম হয়েছে ১৯০ টাকা। 

বোতলজাত এক লিটার সয়াবিনের দাম ১৯৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা এবং খোলা সয়াবিন ১৭৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮০ টাকা করা হয়েছে।ফলে পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম হয়েছে সর্বোচ্চ ৯৭৫ টাকা।

মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। সব ধরনের মাছ সপ্তাহ ব্যবধানে ১০-২০ টাকা বেড়ে গেছে।পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৬০ টাকায়। হাফ কেজি ওজনের ইলিশের কেজি ১,৫০০ থেকে ১,৬০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০, পাবদা ৩৮০, রুই ৩২০ থেকে ৩৬০, কাতল ৪০০, টেংরা ৮৫০, গলদা চিংড়ি ছোট ও বড় যথাক্রমে ১,০০০ থেকে ১,২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।  

জ্বালানি তেলের দাম ও বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে সবজির বাজারে। বাজারে ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। বরং কোনো কোনো সবজিতে সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা।

বাজারে প্রতি কেজি আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা, টমেটো ৬০, করলা ৬০ থেকে ৬৫, পটল ৬০, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৭০, গাজর ৮০, ঢেঁড়স ৬০, চিচিঙ্গা ও ঝিঙা ৭০, শসা ১০০-১১০, বরবটি ৮০, কাঁকরোল ১২০, বেগুন প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা ও ধুন্দুল ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা মামুন বলেন, “গত কয়দিন ধরে দেশের সব জায়গায় বৃষ্টি। অনেক জায়গায় বৃষ্টির কারণে সবজির মাঠ পানিতে তলিয়ে গেছে। যার জন্য আগে যে পরিমাণ সবজি ঢাকায় আসত তার তুলনায় কম আসছে। আর তেলের দাম বাড়ছে। ভাড়া বেশি দিতে হচ্ছে।” 

অন্যদিকে জলাবদ্ধতার কারণে বাজার করতে এসে বাড়তি ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, বাজারে আসতে যেমন কষ্ট হচ্ছে, তেমনি বাড়তি দামও গুনতে হচ্ছে।

   

About

Popular Links

x