Wednesday, July 15, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এমসি কলেজে ধর্ষণ মামলায় খালাস পাওয়া ৪ ছাত্রলীগ কর্মী কারামুক্ত

আদালতে দণ্ডপ্রাপ্তদের পুরাতন কারাগার থেকে বাদাঘাট কেন্দ্রীয় কারাগারে হস্তান্তর করা হয়েছে

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪১ পিএম

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় খালাসপ্রাপ্তদের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। খালাস পাওয়া চারজনই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার ২ (পুরাতন কারাগার) থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।

এছাড়া, দণ্ডপ্রাপ্তদের পুরাতন কারাগার থেকে বাদাঘাট কেন্দ্রীয় কারাগারে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কারামুক্তরা হলেন, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ও মাহফুজুর রহমান। তারা সবাই ছাত্রলীগের টিলাগড়কেন্দ্রিক রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আরিফুর রহমান তাদের মুক্তিলাভের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের বাদাঘাট কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এর আগে, সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি করা এই মামলার রায় প্রদান করা হয় দুপুরের দিকে। সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যদিয়ে আসামিদের উপস্থিতি রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড, মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে নববিবাহিত তরুণীকে (২০) দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার রাতেই নির্যাতনের শিকার তরুণীর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় এমসি কলেজ ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ ও দুজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিনদিনের মধ্যে পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে সন্দেহভাজন দুজন ও এজাহারনামীয় ছয়জনসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।  ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। এরপর দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে মামলার এ রায় ঘোষণা করা হয়।

   

About

Popular Links

x