নির্বাচিত বিএনপি সরকারকে উৎখাতে নাশকতার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৮০ থেকে ৯০ জনকে আসামি করে এ মাসের ১৯ তারিখে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে।
মামলাটির এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১৬ জুলাই গভীর রাতে জেলা সদরের শালগাড়ীয়া ও মালিগাছা এলাকায় গোপন বৈঠক শেষে অভিযুক্তরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দেশীয় অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল, তিনটি লোহার রড, তিনটি বাঁশের লাঠি ও ২০টি ইটের টুকরো জব্দ করার কথা উল্লেখ করেছে।
তবে মামলাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি আরাফাত ওরফে সিফাতকে ঘিরে। বর্তমানে ওই ছাত্রলীগ নেতা ঢাকার রমনা থানার একটি মামলায় গত মে মাসের ১৯ তারিখে আটক হয়ে কারাগারে রয়েছে। তা সত্ত্বেও তাকে এই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে পাবনা সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “এই বিষয়টি আমরা শুনেছি। পুলিশকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি মাননীয় আদালতকে জানানো হয়েছে। পুলিশের দ্বারা নিরীহ কেউ হয়রানি হবে না।”



