Sunday, September 27, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সাভারের এমপির স্ত্রীকে কলেজের সভাপতি নিয়োগ আদেশ হাইকোর্টে স্থগিত

মেয়াদ শেষ হওয়ার ৮ মাস আগেই স্থানীয় সংসদ সদস্যর স্ত্রীকে সভাপতি নিয়োগ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৯ পিএম

মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সাভারের মোফাজ্জল-মোমেনা চাকলাদার মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতিকে অপসারণ করে স্থানীয় সংসদ সদস্যর স্ত্রীকে সভাপতি নিয়োগের আদেশ স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ নিয়োগের বৈধতা জানতে রুল জারি করেছেন আদালত।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, গত ২৩ জুলাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক স্বাক্ষরিত সভাপতি পরিবর্তনের আদেশের কার্যকারিতা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

এর আগে, ২০২৫ সালের ২৪ এপ্রিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিহাব উদ্দিন খানকে দুই বছরের জন্য কলেজটির গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৭ সালের ২৪ এপ্রিল। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার আট মাস আগেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে সরিয়ে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর স্ত্রী সাবিনা সিদ্দিকাকে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

এরপর ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, রেজিস্ট্রার এবং কলেজ পরিদর্শক বরাবর আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সভাপতি পরিবর্তনের আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান। নোটিশের কোনো সদুত্তর না আসায় তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন।

রিট পিটিশনে বিবাদী করা হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক এবং সাভারের মোফাজ্জল-মোমেনা চাকলাদার কলেজের অধ্যক্ষকে।

ব্যারিস্টার শিহাবের পক্ষে আদালতে মামলাটি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নূর উল মতিন।

শিহাব উদ্দিন খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “চলমান কমিটির মেয়াদ থাকা অবস্থায় সভাপতি পরিবর্তনের আদেশ আইনসম্মত নয়।”

এ ছাড়া, কোনো কারণ দর্শানো বা বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ না দিয়েই সভাপতির মনোনয়ন বাতিল করায় ন্যায়বিচারের নীতি লঙ্ঘিত হয়েছে বলেও রিটে উল্লেখ করা হয়।

   

About

Popular Links

x