Wednesday, August 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

তেহারিতে ইটের টুকরা, চুয়েটের হল ক্যান্টিনে তালা শিক্ষার্থীদের

মানসম্মত ও স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ক্যান্টিনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে তারা 

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শহীদ আবু সাঈদ হলের ক্যান্টিনের তেহারিতে ইটের টুকরা পাওয়ার অভিযোগে ক্যান্টিনে তালা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।  

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে তারা মানসম্মত ও স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ক্যান্টিনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে তারা। 

শিক্ষার্থীরা জানান, গত মঙ্গলবার রাতে তেহারি খাওয়ার সময় এক শিক্ষার্থী খাবারের মধ্যে ইটের টুকরা পান বলে অভিযোগ করেন। এর আগে খাবারে পোকামাকড় ও বস্তার সুতা পাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। অনেক সময় চিকেন ফ্রাইয়ের ভেতরের অংশ কাঁচা থাকে। নষ্ট আটা দিয়ে পরোটা তৈরি করা হয়। অবিক্রীত পরোটা, শিঙাড়া ও পেঁয়াজু সংরক্ষণের পর পরদিন গরম করে বিক্রি করা হয়। এছাড়া রান্নাঘর ও চা তৈরির স্থানেও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নেই বলে অভিযোগ তাদের।

শহীদ আবু সাঈদ হলের শিক্ষার্থী তুসার আহমেদ বলেন, “খাবারের মধ্যে ইটের টুকরা পাওয়া খুবই উদ্বেগজনক। বিষয়টি নিয়ে বারবার অভিযোগ করার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আমরা ক্যান্টিনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছি। মানসম্মত ও নিরাপদ খাবারের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অবস্থান চলবে।”

ক্যান্টিনের খাবারের মান ও মূল্য নিয়ে শিক্ষার্থীরা কয়েকটি দাবি জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করা, হল প্রশাসন বা ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তর অনুমোদিত মূল্যতালিকা প্রকাশ ও বাস্তবায়ন, রান্নাঘর ও চা তৈরির স্থান সংস্কার, খাবারের মান ও মূল্য নিয়মিত তদারকি এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি, হল প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে মনিটরিং কমিটি গঠন।

হল ক্যান্টিনের ইজারাদার মো. শাহীন বলেন, “বেশ কিছুদিন ধরে গ্যাসের সমস্যা হচ্ছে। তাই লাকড়ির চুলায় রান্না করতে হচ্ছে। আবার রান্নার জায়গায় বৃষ্টির পানিও আসে। জায়গাটিও খুবই সংকীর্ণ। এ অবস্থার কারণে হয়তো কারও অসাবধানতায় এমনটি ঘটেছে।”

এ বিষয়ে শহীদ আবু সাঈদ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. আজাদ হোসাইন বলেন, “তাদের বিরুদ্ধে আগেও অভিযোগ এসেছে। সমস্যা কেন হচ্ছে, তা জিজ্ঞাসা করবো। খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস করা যাবে না। তারা মান নিশ্চিত করতে পারলে ক্যান্টিন চালু করবেন। আপাতত ক্যান্টিন বন্ধ থাকবে। সরেজমিনে বিষয়টি তদারকি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” 

   

About

Popular Links

x