দেশে সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের নতুন রেকর্ড হয়েছে, আর তা ভাঙল মাত্র ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে। গতকাল রাত ১টায় সারা দেশে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াটে। এর কিছুক্ষণ আগে, রবিবার বেলা ৩টায় রেকর্ড হওয়া সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাত মিলিয়ে টানা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এই ভোগান্তির শিকার সবচেয়ে বেশি হচ্ছেন গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দারা।
লোডশেডিং পরিস্থিতি জটিল হতে শুরু করে গত ২১ জুলাই মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বিকল হওয়ার পর থেকে। যদিও পরবর্তীতে টার্মিনালটি আংশিকভাবে সচল করা হয়েছে, তবে এখনো আগের মাত্রায় ফেরেনি গ্যাস সরবরাহ।
জ্বালানি সংকটের কারণে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫ হাজার মেগাওয়াট থেকে নেমে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াটে। পাশাপাশি ভারতের ঝাড়খণ্ডের আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেও সরবরাহ কমেছে প্রায় ৪০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ফার্নেস অয়েলনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন হ্রাসও।
পাওয়ারগ্রিড সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা এই দুই সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ চাহিদার তুলনায় ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত কম ছিল।



