Sunday, August 16, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

চাঁদার জালে বাদামতলীর ফলের ট্রাক

২০ গুণেরও বেশি টোল আদায়ের অভিযোগ, নেপথ্যে বিএনপি নেতা

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩৬ পিএম

রাজধানীর অন্যতম বৃহত্তম ফলের পাইকারি বাজার বাদামতলী ঘাটে প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ট্রাকচালকেরা। তাদের দাবি, ওই এলাকায় যানবাহন প্রবেশের জন্য বাধ্য হয়ে দফায় দফায় টাকা দিতে হচ্ছে। চাঁদা দিতে হচ্ছে কখনো পুলিশ আবার কখনো রাজনৈতিক নেতাদের। আর এই অননুমোদিত চাঁদা আদায়ের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে সরকার-অনুমোদিত পার্কিং ইজারাকে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা যায়, সদরঘাট থেকে বাবুবাবাজার সেতু পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার রাস্তার একদিকে ফলের আড়ত এবং অন্যদিকে বুড়িগঙ্গা নদী। ওয়াইজঘাটের দিকে রাস্তার পাশে অন্তত ৩০টি ট্রাক সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো, আর বাকি ট্রাকগুলো নির্ধারিত পার্কিং স্থানে রাখা।

ট্রাকচালক ও ব্যবসায়ীরা ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, বিভিন্ন অজুহাতে তাদের প্রায়ই দুই থেকে তিনবার টাকা দিতে হয়। ট্রাক কোথায় রাখা হয়েছে, গাড়ি থেকে সরাসরি ফল বিক্রি হচ্ছে কি না এবং গাড়িটি সেখানে কতক্ষণ অবস্থান করছে তার ওপর ভিত্তি করে গাড়িপ্রতি ২,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে।

যদিও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নির্ধারিত হার অনুযায়ী প্রতি তিন ঘণ্টার জন্য ট্রাকপ্রতি ফি মাত্র ১০০ টাকা। অধিকাংশ ট্রাক তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে মালামাল খালাস করে চলে যায়। সেই হিসেবে সর্বনিম্ন ২,০০০ টাকা আদায়ের অর্থ হলো, নির্ধারিত হারের চেয়ে কমপক্ষে ২০ গুণ বেশি টাকা রাখা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কাগজ মার্কেট, গ্লাস মার্কেট, বাবুবাজার সেতু, মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গের সামনে এবং ওয়াইজঘাট এই পাঁচটি পয়েন্টে সাদা কাগজ এবং কলম হাতে নিয়ে টাকা তুলছেন একদল ব্যক্তি।

রাসেল ফুড অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির একটি ট্রাক থেকে নিলামে আঙুর বিক্রি করছিলেন রাকিব। তিনি জানান, ট্রাকে করে ফল নিলাম ও বিক্রি করার জন্য ট্রাকপ্রতি ৩,০০০ টাকা দিতে হয়। একদিনের মধ্যে ফল বিক্রি না হলে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আসা ট্রাকচালক নাসিরুল জানান, ফল বিক্রির পর খালি ট্রাক পার্কিং করার জন্য তাকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। তিনি বলেন, "পার্কিং ফি কীভাবে নির্ধারিত হয় তা আমি বুঝি না। একেক ট্রাক থেকে একেক রকম টাকা নেওয়া হচ্ছে।"

ঢাকা মহানগর ফল আমদানি-রপ্তানি ও ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম জানান, সমিতি থেকে নিরাপত্তাপ্রহরী, লাইনম্যান, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন ও অন্যান্য কার্যক্রমের জন্য সদস্যভিত্তিক ফলবাহী ট্রাকপ্রতি তারাও আলাদাভাবে ৩০০ টাকা করে নিয়ে থাকেন।

তিনি বলেন, "আমরা এই টাকা দিয়ে নিরাপত্তাপ্রহরী, লাইনম্যান ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন দিই এবং সমিতির অন্যান্য কাজে ব্যয় করি। সমিতির নিয়ম মেনেই এই টাকা তোলা হয়। বর্তমানে আমাদের অ্যাকাউন্টে ৫ কোটি টাকার বেশি জমা রয়েছে এবং প্রতি কয়েক বছর পর পর আমরা এই জমানো তহবিল আমাদের ২২০০-এর বেশি সদস্যের মধ্যে বণ্টন করে দিই।"

তবে ইজারাদারের পক্ষ থেকে ট্রাকপ্রতি ২,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা আদায়ের বিষয়ে সমিতির পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন, মূল চাঁদা আদায় করা হচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ মহানগর শ্রমিক দলের সভাপতি ও ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী সুমন ভূঁইয়ার নেতৃত্বে।

সাদা খাতা হাতে টাকা তুলতে দেখা যাওয়া খোকন জানান, তিনি সংগৃহীত টাকা সোহরাব ও মিজানের কাছে তুলে দেন, যা পরে সুমন ভূঁইয়ার কাছে যায়। তিনি জানান, সাধারণ পার্কিংয়ের জন্য ১,০০০ টাকা, গাড়ি থেকে সরাসরি পণ্য বিক্রি করলে ২,০০০ টাকা, ট্রাক থেকে সরাসরি ফল নিলাম করলে ৩,০০০ থেকে ৪,০০০ টাকা এবং খালাসের পর খালি ট্রাকের জন্য ৪০০ টাকা রেট নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, এই অর্থ আদায়ের সঙ্গে যুক্ত অন্তত ছয়জন সংগ্রাহক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) যুব সংগঠন যুবদলের সঙ্গে জড়িত।

ঝিনাইদহ থেকে ওয়াইজঘাটে ড্রাগন ফল নিয়ে আসা ট্রাকচালক মোহাম্মদ নূরান জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে এ ধরনের চাঁদা দেওয়া নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, "আগে রাস্তার পাশে পার্কিংয়ের জন্য আমাকে কোনো টাকা দিতে হতো না। এখন দিতে হয়। আগস্টের পাঁচ-ছয় মাস পর থেকে এই চাঁদা তোলা শুরু হয়েছে।" টাকা তোলার সময় সংগ্রাহকেরা বিএনপির নাম ব্যবহার করেন বলেও তিনি জানান।

ব্যবসায়ী মো. পরাগ আলী জানান, ওয়াইজঘাটে আম খালাসের জন্য তাকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। দীর্ঘ এক দশক ধরে ঢাকায় পণ্য আনলেও রাস্তার পাশে গাড়ি রাখার জন্য আগে কখনো তাকে টাকা দিতে হয়নি তবে এখন দিতে হচ্ছে।

বিতর্কিত পার্কিং ইজারা

২০২৪ সালে এক বছরের জন্য ৯৭.৬৪ লাখ টাকায় এই পার্কিং ইয়ার্ডটি ইজারা পান মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের মধ্যপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ আবদুল করিম (করিম হাজী)।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর করিম হাজী আত্মগোপনে চলে যান। এরপর ইজারা হস্তান্তর না হলেও পার্কিংয়ের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় স্থানীয় যুবদল ও শ্রমিক দল নেতাদের হাতে।

বিআইডব্লিউটিএ জানায়, কোভিডের ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করে করিম হাজী ২০২২ সালে একটি মামলা করেন এবং ইজারার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানান। 

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের অন্তর্গত কোতোয়ালি থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমেদ হোসেন সোবহান এবং কোতোয়ালি থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল হাওলাদারকে সঙ্গে নিয়ে এই চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করছেন সুমন ভূঁইয়া।

ব্যবসায়ীদের হিসাব মতে, বাদামতলীতে দিনে ১৫০টির বেশি ট্রাক প্রবেশ করে। গড়ে ২,০০০ টাকা পার্কিং ফি এবং খালি ট্রাকের ৫০০ টাকা হিসাব করলে প্রতিদিন প্রায় ৩,৭৫,০০০ টাকা, মাসে ১.১২৫ কোটি টাকা এবং বছরে প্রায় ১৩.৫ কোটি টাকা আদায় করা হচ্ছে। ছোট ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন হিসাব করলে এই অঙ্ক আরও অনেক বেশি হবে।

তবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুমন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, "আমি এলাকায় পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য হওয়ায় অনেকে নিজের স্বার্থে আমার নাম ব্যবহার করে। ৫ আগস্টের পর করিম হাজী আত্মগোপনে চলে যান। এরপর থেকে আমরাই প্রতি মাসে ইজারার টাকা পরিশোধ করে এটি পরিচালনা করছি। আমার সঙ্গে আরও দুজন আছেন, তারা মূলত এটি দেখাশোনা করেন।"

ব্যবসায়ীরা ট্রাক ভাড়া ও শ্রমিকের মজুরি বহন করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, "ট্রাকচালকেরা নিজের পকেট থেকে এই টাকা দেন না। আসল ব্যবসায়ীরা জানেন যে এটি টেন্ডারের টাকা এবং দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই সংগৃহীত হয়ে আসছে। এটি সম্পূর্ণ অবৈধ হলে ব্যবসায়ীরা নিজেরাই এর বিরোধিতা করতেন।"

সরকারি রাস্তায় পার্কিংয়ের জন্য টাকা তোলার অনুমোদন টেন্ডারে নেই স্বীকার করে তিনি বলেন, জায়গা স্বল্পতার কারণে কিছু ট্রাক সাময়িকভাবে সেখানে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়।

সাক্ষাৎকার চলাকালেই বিআইডব্লিউটিএর তিন কর্মকর্তা সুমন ভূঁইয়ার কার্যালয়ে প্রবেশ করেন এবং তাকে "ভাই" বলে সম্বোধন করেন। এইসময় ইজারার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি তারা। পরবর্তীতে আইডব্লিউটিএর একজন কর্মকর্তা জানান, তারা অন্য একটি ইজারার বিষয়ে সুমন ভূঁইয়ার সাথে তার অফিসে কথা বলতে এসেছিলেন।

পুলিশের চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

ঢাকা ট্রিবিউন প্রতিনিধি ওয়াইজঘাটে উপপরিদর্শক (এসআই) আরমানের নেতৃত্বে কোতোয়ালি থানার একটি টহল দলকে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকা প্রতিটি ট্রাক থেকে ৩০০ টাকা করে তুলতে দেখেন। এইসময় পুলিশকে টাকা না দিলে মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেছেন চালকরা।

টহল দলটি ঢাকা মেট্রো ঠ-১১-৬০৭৫ নম্বরের একটি পুলিশ পিকআপে ছিল। মোহাম্মদ আহাদ মিঞা (ছদ্মনাম) নামের এক চালক জানান, তিনি পুলিশ দলকে ৩০০ টাকা এবং ওয়াইজঘাটে প্রবেশের পর বিভিন্ন মানুষকে কোন রসিদ ছাড়াই প্রায় ৯৫০ টাকা দিয়েছেন।

আহাদ মিঞা বলেন, "ডিউটিতে কোনো টিম আসলেই তারা টাকা নেয়। টাকা না দিলে কেসের হুমকি দেয়।"

পুলিশ প্রথমে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে। তবে সংবাদদাতার কাছে ছবি ও ভিডিও ফুটেজ রয়েছে জানার পর পুলিশ সদস্যরা ক্ষমা চান এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ আর করবেন না বলে জানান। এসআই আরমান বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, "আমাদের সবার পরিবার আছে, খুব চাপের মধ্যে আছি। আমাদের পরিবারের দিকে তাকিয়ে পরিস্থিতিটি বিবেচনা করলে উপকার হতো।"

পুলিশের ওই দলে নজরুল, মিলন ও অমল নামের আরও সদস্য ছিলেন।

এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি বলেন, "এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

চালকদের অভিযোগ, গাবতলী, শ্যামপুর ও মাজার রোড এলাকাতেও ফলের ট্রাক থেকে একইভাবে পুলিশ টাকা দাবি করে থাকে।

ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি খরচ, বাজারে প্রভাব

বাদামতলী বাজারে ৭-৮ কেজি ওজনের কালো আঙুরের একটি ক্যারেট ২,৩০০ থেকে ২,৬০০ টাকায় নিলাম হতে দেখা যায়, অথচ ঢাকার খুচরা বাজারে সেই আঙুরই বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৬৫০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, অতিরিক্ত টোল ও চাঁদার কারণে তাদের পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত খুচরা বাজারে ফলের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। 

ব্যবসায়ীরা জানান, তাদের পক্ষ থেকে পার্কিং ফি ও অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিষয়টি স্থানীয় ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনকে জানানো হয়েছিল এবং তিনি বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখনো কোনো পরিবর্তন আসেনি।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সংগৃহীত অর্থের একটি অংশ বিআইডব্লিউটিএর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কাছেও যায়। 

বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মো. মোবারক হোসেন মজুমদার জানান, ইজারাদার পার্কিং ইয়ার্ডে একটি ট্রাক পার্কিংয়ের জন্য প্রতি তিন ঘণ্টায় ট্রাকপ্রতি ১০০ টাকা আদায় করতে পারবে।

তিনি বলেন, "কেউ যদি এর চেয়ে বেশি টাকা নেয় এবং কোনো ব্যবসায়ী বা ট্রাকচালক আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান, তবে আমরা ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।"

তিনি আরও জানান, ২০২২ সালে করিম হাজীর করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত পুরনো ইজারার মেয়াদ মাসভিত্তিক বাড়ানোর নির্দেশ দেন, যার ফলে নতুন দরপত্র আহ্বান করা সম্ভব হয়নি এবং এখনো প্রতি মাসে করিম হাজীর নামেই চালান ইস্যু করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, "প্রতি মাসে করিম হাজীর নামে পেমেন্ট চালান তৈরি হয়। আদালতে আইনি প্রক্রিয়া চলছে, মামলা নিষ্পত্তি হলেই নতুন ইজারা দেওয়া সম্ভব হবে।"

তবে সুমন ভূঁইয়া ঢাকা ট্রিবিউনকে পেমেন্ট চালানের রসিদ দেখিয়ে বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর করিম হাজী আত্মগোপনে গেলে তিনিই প্রতি মাসে বিআইডব্লিউটিএকে ইজারার টাকা ও ভ্যাট পরিশোধ করে আসছেন।

   

About

Popular Links

x