Wednesday, August 19, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৩৩ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম

খুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগটিতে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ জনে। 

একই সময়ে নতুন করে ১৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫০২ জন। 

বুধবার (১৯ আগস্ট) খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন ভর্তি ১৩৩ জন রোগীর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১০ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৩২ জন ভর্তি হয়েছেন।

জেলাভিত্তিক নতুন ভর্তির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, খুলনায় ৬৮ জন (সরকারি হাসপাতালে ৩১ জন ও বেসরকারি হাসপাতালে ২২ জন), খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৫ জন, বাগেরহাটে তিন জন, সাতক্ষীরায় একজন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই জন, যশোরে ১২ জন, ঝিনাইদহে তিন জন, মাগুরায় দুই জন, নড়াইলে একজন, কুষ্টিয়ায় চার জন, চুয়াডাঙ্গায় দুই জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। চুয়াডাঙ্গায় গত ১৩ আগস্ট প্রথম ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়।

এদিকে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ৩,৮২৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩,২৬৭ জন।  বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫০২ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এছাড়া এ পর্যন্ত অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে ৩৯ জনকে। চলতি বছর এ বিভাগে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গুতে। এর মধ্যে ১২ জন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও খুলনা জেলায় দুই জন মৃত্যু হয়। এছাড়া বাগেরহাটে একজনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু ১২ জনের মধ্যে চার জন রয়েছে খুলনার।

বিভাগের হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে ভর্তি ৫০২ জনের মধ্যে খুলনায় ২২১ জন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২৩ জন, বাগেরহাটে ৭৭ জন, সাতক্ষীরায় চার জন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় জন, যশোরে ৩০ জন, ঝিনাইদহে সাত জন, মাগুরায় চার জন, নড়াইলে সাত জন, কুষ্টিয়ায় ১৬ জন, চুয়াডাঙ্গায় ছয় জন ও মেহেরপুরে একজন।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আখতারুজ্জামান জানান, রোগী বেশি হলেও চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি হচ্ছে না। ওষুধ, কিট পর্যাপ্ত। রোগীর চাপ আরও বাড়লে পৃথক ইউনিট খোলার পরিকল্পনা নেওয়া হতে পারে।

   

About

Popular Links

x