ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় মধ্য জামগড়া এলাকায় একটি বহুতল আবাসিক ভবনের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে ৫ মাস বয়সী ভ্রুণসহ আলমগীর হোসেন ওরফে আলম (৪২) ও তার স্ত্রী নাজমা আক্তার (৩৩) দম্পতির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নিহত নাজমার বোন শাপলা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন বলে নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “মামলায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে তার বোন এবং বোন জামাইসহ ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। যেহেতু কক্ষটি তালাবদ্ধ ছিলো আমরাও ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে করছি। বিভিন্ন ক্লুকে সামনে রেখে তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের পুলিশের কয়েকটি টিম এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছেন।”
“তবে এখনও কাউকেই আটক করা সম্ভব হয়নি”, বলেন ওসি।
এর আগে, গত শুক্রবার ভোর আড়াইটার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে মৃত ভ্রুনসহ পান বিক্রেতা আলমগীর ও পোশাক শ্রমিক নাজমা দম্পত্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কক্ষটিতে ভাড়া থাকতেন তারা। তালা বদ্ধ কক্ষ থেকে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রচুর দুর্গন্ধ বের হতে দেখে বাড়ির মালিককে খবর দেন প্রতিবেশী ভাড়াটিয়ারা। পরে মালিকের উপস্থিতিতে কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে দুটি মরদেহ ও পাশে একটি শিশুর ভ্রুণ পরে থাকতে দেখেন তারা।



