Friday, September 25, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রংপুরে ১১ জনের অ্যানথ্রাক্স উপসর্গ, শনাক্ত ৩ জন

অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত গরুর মাংস খাওয়ায় পর ১১ জনের শরীরে উপসর্গ দেখা দেয়

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৯ পিএম

রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় নমুনা পরীক্ষা করে তিনজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত হয়েছে। অসুস্থ গরুর মাংস কাটা ও খাওয়ার পর ১১ জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্স রোগের উপসর্গ দেখা দেয়।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. ফিরোজ খান।

তিনি জানান, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) ১১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠালে রিপোর্টে ৩ জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত হয়।

অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের সজিব মিয়া (২৩), আবদুল মান্নান (৬০) ও মোছা. স্বপ্না বেগম (৪৫)।

ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. ফিরোজ খান বলেন, “অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গের খবর পেয়ে গত ৫ সেপ্টেম্বর আইইডিসিআরের একটি দল উপসর্গযুক্ত ১১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে। এর মধ্যে তিনজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত হয়েছে। বাকিদের পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। বর্তমানে আক্রান্ত তিনজনই সুস্থ আছেন।”

পীরগাছা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আদমপাড়া গ্রামের সজিব মিয়া কয়েক মাস আগে একটি গরু কিনে লালনপালন শুরু করেন। গত ২১ আগস্ট হঠাৎ গরুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি না জানিয়ে তিনি গরুটি জবাই করে এলাকার মানুষের মধ্যে মাংস ভাগাভাগি ও বিক্রি করেন। ওই গরুর মাংস কাটা ও খাওয়ার কারণে ওই এলাকার ১১ জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ দেখা দেয়।

পীরগাছা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শাকিল আহমেদ বলেন, “অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির ১০ থেকে ১৫ দিন পর তারা বিষয়টি জানতে পারেন। কয়েকজনের হাতে ফোসকা দেখা যায়। পরে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে তারা ওই এলাকায় গিয়ে পর্যবেক্ষণ করেন। সেখানে আর কোনো গরুকে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।”

তিনি জানান, সংক্রমণ ঠেকাতে ওই এলাকার সব গরুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে। বর্তমানে অ্যানথ্রাক্সের কোনো ঝুঁকি নেই, অধিকাংশ রোগীর ঘা শুকিয়ে গেছে। অসুস্থ গরুর মাংস যাতে কেউ বিক্রি করতে না পারে, সে বিষয়ে তারা সতর্ক রয়েছেন।

   

About

Popular Links

x