নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন: আঙুলের ছাপ না মেলায় ভোগান্তিতে ভোটাররা
হাতে ময়লা থাকলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং অফিসারের
-মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন
শামীমা রীতা, নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২২, ০১:২১ পিএমআপডেট : ২৫ মে ২০২২, ০৪:২৮ পিএম
"সকাল ৯ টা থাইকা খাড়ায় আছি এখন ১১ টা বাজে কিন্তু ভোট দিতে পারতাছি না। কয়েকজনের আঙুলের ছাপ মিলতাছে না। আগেই তো ভালা আছিলো, সিল মাইরা ভোট দিতাম আর চইলা যাইতাম। এখন ২ ঘণ্টা পার হইয়া যাইতাছে ভোট হইতাছে না। সরকার বাতিল মাল নিয়া আসছে।"
রবিবার (১৬ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নং ওয়ার্ডের শিশু বাগ বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্রে এসে বিড়ম্বনার কথা বলছিলেন ভোটার আফতাব মিয়া।
একই কথা জানালেন পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরও কয়েকজন ভোটার। তবে পুলিশের কনস্টেবল আজিজ জানান, আমাদের তো করার কিছু নাই। উপর থেকে বললে ছাড়তে পারবো। এর আগে না।
এদিকে দেড় ঘন্টা যাবৎ ঘুরেও ইভিএমে ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মেলায় ভোট দিতে পারছেন না আছিয়া বেগম।
আছিয়া বেগম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “মেশিনে আমার আঙুলের ছাপ মিলছে না। সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার পরও লাভ হয় নাই। প্রিজাইডিং অফিসারের কাছে যেতে বলা হলো। সে বলল পরে আসতে।”
ভোটকেন্দ্রের ১নং বুথের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র মন্ডল জানান, হাতে ময়লা থাকলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাই যাদের আঙুলের ছাপ পাওয়া যাচ্ছে না, তাদের আমরা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিয়ে আসতে বলছি।
তবে এ সমস্যা শুধু শিশুবাগ বিদ্যালয়ে নয়, বন্দর, সিদ্ধিরগঞ্জসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে ইভিএম বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, শিশুবাগ বিদ্যালয় মোট ভোটার ৪,১১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২০৪৯, মহিলা ভোটার ২০৬৮ জন। বেলা ১২ টা পর্যন্ত এ কেন্দ্রে মোট ভোট গ্রহণ হয়েছে ৯১২টি। এর মধ্যে পুরুষ ৫০০ ও নারী ৪২৫ জন।
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন: আঙুলের ছাপ না মেলায় ভোগান্তিতে ভোটাররা
হাতে ময়লা থাকলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং অফিসারের
"সকাল ৯ টা থাইকা খাড়ায় আছি এখন ১১ টা বাজে কিন্তু ভোট দিতে পারতাছি না। কয়েকজনের আঙুলের ছাপ মিলতাছে না। আগেই তো ভালা আছিলো, সিল মাইরা ভোট দিতাম আর চইলা যাইতাম। এখন ২ ঘণ্টা পার হইয়া যাইতাছে ভোট হইতাছে না। সরকার বাতিল মাল নিয়া আসছে।"
রবিবার (১৬ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নং ওয়ার্ডের শিশু বাগ বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্রে এসে বিড়ম্বনার কথা বলছিলেন ভোটার আফতাব মিয়া।
একই কথা জানালেন পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরও কয়েকজন ভোটার। তবে পুলিশের কনস্টেবল আজিজ জানান, আমাদের তো করার কিছু নাই। উপর থেকে বললে ছাড়তে পারবো। এর আগে না।
এদিকে দেড় ঘন্টা যাবৎ ঘুরেও ইভিএমে ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মেলায় ভোট দিতে পারছেন না আছিয়া বেগম।
আছিয়া বেগম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “মেশিনে আমার আঙুলের ছাপ মিলছে না। সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার পরও লাভ হয় নাই। প্রিজাইডিং অফিসারের কাছে যেতে বলা হলো। সে বলল পরে আসতে।”
ভোটকেন্দ্রের ১নং বুথের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র মন্ডল জানান, হাতে ময়লা থাকলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাই যাদের আঙুলের ছাপ পাওয়া যাচ্ছে না, তাদের আমরা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিয়ে আসতে বলছি।
তবে এ সমস্যা শুধু শিশুবাগ বিদ্যালয়ে নয়, বন্দর, সিদ্ধিরগঞ্জসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে ইভিএম বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, শিশুবাগ বিদ্যালয় মোট ভোটার ৪,১১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২০৪৯, মহিলা ভোটার ২০৬৮ জন। বেলা ১২ টা পর্যন্ত এ কেন্দ্রে মোট ভোট গ্রহণ হয়েছে ৯১২টি। এর মধ্যে পুরুষ ৫০০ ও নারী ৪২৫ জন।
বিষয়: