এবারের ঈদেও নতুন পোশাক পেয়েছেন কাশিমপুর কারাগারের বন্দিরা। নতুন পোশাকের মধ্য রয়েছে শাড়ি, লুঙ্গি ও শিশুদের জন্য নতুন জামা। এছাড়াও বন্দিদের জন্য ঈদের দিন কারাগারে বিশেষ খাবার (সকালে পায়েস-মুড়ি, দুপুরে মাংস-পোলাও, মিষ্টি, সালাদ, পান সুপারি, এবং রাতে ভাত, রুই মাছ, ছোলার ডাল) দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (২৯ এপ্রিল), শনিবার এবং রবিবার জেলা প্রশাসন ও কারাগারের সহায়তায় তাদের মাঝে এসব কাপড় বিতরণ করা হয়। ঢাকা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ সুপার আব্দুল জলিল।
তিনি জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রায় এক হাজার এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ৬০০ জন বন্দি এ কারাগারে রয়েছে। তাদের মধ্যে ঈদ উপলক্ষে ১ হাজার ২৮ জন বন্দিকে নতুন লুঙ্গি দেওয়া হয়েছে।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ১-এর সুপার নুরুন্নবী ভূঁইয়া জানান, এখানে বন্দির সংখ্যা হলো প্রায় দেড় হাজার। ১০০ দরিদ্র অসহায় বন্দিদের মাঝে লুঙ্গি বিতরণ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৭১ জন ফাঁসির এবং শতাধিক যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ২-এর সুপার আমিরুল ইসলাম জানান, এখানে বন্দির সংখ্যা দুই হাজার ৭৯৮। শনিবার জেলা প্রশাসনের সহায়তায় ১৫০জন দরিদ্র বন্দিকে লুঙ্গি দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে শতাধিক ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত এবং চার শতাধিক যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি রয়েছেন।
মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সুপার হালিমা খাতুন জানান, এ কারাগারে মোট ৭০০-এর মতো বন্দি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ফাঁসির আসামি ৩০ জন এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত প্রায় অর্ধশত। শুক্রবার জেলা প্রশাসক নিজে উপস্থিত থেকে ২৬৫ জন দরিদ্র নারী বন্দি ও (ডে-কেয়ার সেন্টারে) মা-বন্দিদের সঙ্গে থাকা ৮০জন শিশুকে নতুন জামা দিয়েছেন।



