Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

উল্টোদিক দিয়ে মোটরসাইকেল চালানোর প্রতিবাদ করায় পুলিশ কর্মকর্তাকে পিটিয়ে জখম

ভুক্তভোগী এসআই বলেন, প্রথমে মোটরসাইকেলে থাকা এক যুবক এবং তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন মোটরসাইকেল থেকে নেমেই বলে, ভাইরে চিনস না? ভাই যাইতাছে, আর তুই কথা কইতাছোস- এই বলেই মারতে শুরু করে তারা

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:০৫ পিএম

রাজধানীর বেইলি রোডে উল্টোপথে পথে আসা এক মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগার প্রতিবাদ করায় মারধরে জখম হয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে অভিযুক্তরা বলেন, “ভাইরে চিনস না? ভাই যাইতাছে, আর তুই কথা কইতাছোস।”

বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার শান্তিনগর বেইলি রোডের মুখে কেএফসি-র সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চার জনের নাম উল্লেখ করে ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা হয়েছে। মামলায় তানভীর হোসেন সজীব নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার নাম উল্লেখ করা ৪ অভিযুক্ত হলেন- তানভীর ইসলাম সজীব (৩৩), হাসান (৩২), ইমন (২৭) ও শাহাবুদ্দিন (২৫)।

ভুক্তভোগী একেএম মিরাজ হোসেন পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি রবিবার অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “ওই দিন বিকেলে অফিসে শেষ করে বাসায় ফেরার পথে কেএফসির সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় পাঁচ-ছয়টি মোটরসাইকেলে ১০-১২ জন যুবক উল্টোপথে যাওয়ার সময় আমাকে ধাক্কা দেয়। এর প্রতিবাদ করতেই তারা আমাকে বেধরক মারপিট করে। পুলিশ পরিচয় দেওয়ার পর তারা আরও মারপিট করে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রথমে মোটরসাইকেলে থাকা এক যুবক এবং তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন মোটরসাইকেল থেকে নেমেই বলে, ভাইরে চিনস না? ভাই যাইতাছে, আর তুই কথা কইতাছোস- এই বলেই মারতে শুরু করে তারা।”

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, “মারধরের একপর্যায়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তার গলায় জুতা, বুট ও কেডস দিয়ে চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে প্রাণনাশের চেষ্টা করা হয়েছে। এ সময় পকেটে থাকা ম্যানিব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে; যার মধ্যে ১২ হাজার ২৩০ টাকাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিল।”

ভুক্তভোগী পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “স্টিলের হেলমেট দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা ও নাক-মুখে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে তারা। নির্মমভাবে প্রহার করায় আমার মাথা ও নাক-মুখে রক্ত দেখে উপস্থিত লোকজন রমনা থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে থানার টহল টিম এসে আমাকে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঢামেকে চিকিৎসারত অবস্থায় হাসপাতালের বেড খালি না থাকায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে আমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।”

রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান বলেন, “ঘটনার দিন রাতেই তানভীর হোসেন সজীব নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে শুক্রবার আদালতে তুলে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ওই ঘটনায় আর কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।”

About

Popular Links