Saturday, July 11, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নাম বদলে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি হতে যাচ্ছে স্যার ফজলে হাসান আবেদ ইউনিভার্সিটি

প্রস্তাবনায় নতুন নাম সংক্ষেপে আবেদ ইউনিভার্সিটি রাখার কথা বলা হয়েছে

আপডেট : ১১ জুলাই ২০২৩, ১১:৪৮ এএম

প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (বিওটি)।

জানা গেছে, স্যার ফজলে হাসান আবেদ জীবিত থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ৩১তম সভায় ইউনিভার্সিটির পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।একই বছরের ২০ ডিসেম্বর মারা যান তিনি।

২০১৯ সালের সেই সভায় বোর্ড অব ট্রাস্টিজ চেয়ারপারসন তামারা হাসান আবেদের সভাপতিত্বে  আরও নয়জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

নিজেদের ওই সিদ্ধান্তের তিন বছরের বেশি সময় পর গত ২৮ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুমতি নিয়ে নাম পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ।

প্রস্তাবনায় প্রতিষ্ঠানটির নতুন নাম স্যার ফজলে হাসান আবেদ ইউনিভার্সিটি, সংক্ষেপে আবেদ ইউনিভার্সিটি রাখার কথা বলা হয়েছে।

নাম পরিবর্তনের বিষয়ে মতামত চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) চিঠি দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

নাম পরিবর্তন কেন?

বোর্ড অব ট্রাস্টিজ সূত্রে জানা গেছে, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর ও প্রেসিডেন্ট ভিনসেন্ট চ্যাং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দেন। একাডেমিক কাউন্সিল এবং  সিন্ডিকেট সদস্যরা ব্র্যাকের স্বপ্নদর্শী প্রতিষ্ঠাতার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ইউনিভার্সিটির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবকে সমর্থন করেন।

নাম পরিববর্তনের প্রস্তাবে সম্মতি আছে কি-না সে বিষয়ে চেয়ারপারসন তামারা আবেদ প্রত্যেকের কাছে আলাদাভাবে জানতে চাইলে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সকল সদস্য নিজেদের সমর্থনের কথা জানান। 

বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য এএমআর চৌধুরী বলেন, "তার অনন্য অবদানের প্রতি সম্মান জানানোর জন্য এর চেয়ে ভালো উপায় আর হতে পারে না।"

এরপর ব্র্যাক ইউনির্ভাসিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড প্রস্তাবটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠান।

আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া

নাম পরিবর্তনের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়ার পর ইউজিসি কর্তৃপক্ষ মতামতের জন্য আবেদনটি ইউজিসির আইন বিভাগে পাঠায়।

ইউজিসির আইন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নাম পরিবর্তন করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। কারণ,  বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নীতিমালা-২০১০ এ শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকা অবস্থায় প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে বাধ্যবাধকতা রযেছে।

যদিও নাম পরিবর্তনের এই উদ্যোগে বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের শঙ্কা, নাম পরিবর্তন করা হলে তাদের সার্টিফিকেট নিয়ে কিছু জটিলতা তৈরি হতে পারে। তবে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতার প্রতি সম্মান জানানোর এই উদ্যোগে খুশি।

অন্যদিকে, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড শিক্ষা মন্ত্রনালয়কে আশ্বস্ত করেছেন, নাম পরিবর্তনের ফলে কারও একাডেমিক সার্টিফিকেট, ডিগ্রি বা কনফার্মেশন লেটার হালনাগাদ করার প্রয়োজন হলে কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে যাত্রা শুরু করে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় আট হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।

   

About

Popular Links

x