Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দুরন্ত বিপ্লব কৃষি পুরস্কার পেলেন তিন কৃষক

  • দেশি ধানের প্রচারের জন্য তাদের পুরস্কৃত করা হয়
  • ১ জানুয়ারি থেকে প্রতি শুক্রবার শাহবাগে হাট বসছে
আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৩৬ পিএম

দেশি ধানের প্রচারে ভূমিকা রাখায় ‘‘দুরন্ত বিপ্লব কৃষি পুরস্কার- ১৪৩০’’ পেয়েছেন তিন কৃষক।

ধান প্রক্রিয়াকরণের জন্য কিশোরগঞ্জের জাহানারা এগ্রো ফুডের তৌকির আহমেদ মঞ্জু, বিপণনের জন্য সুনামগঞ্জের হাওর কৃষির গোলাম সারওয়ার লিটন এবং দেশি জাতের ধান উৎপাদনের জন্য পাবনার শাহাদাত হোসেন এ পুরস্কার পেয়েছেন।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে তিন কৃষকের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে দুরন্ত বিপ্লবের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

২০২২ সালে কৃষি উদ্যোক্তা দুরন্ত বিপ্লবের নেওয়া উদ্যোগ ‘‘দেশি চালের হাট’’ সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে কাজ করা ব্যক্তিদের অবদানের স্বীকৃতি দিতে দেশে প্রথমবারের মতো এই পুরস্কার প্রবর্তন করে।

এ বছরের ১২ জানুয়ারি থেকে প্রতি শুক্রবার শাহবাগে হাটটি বসানো হচ্ছে। টাঙ্গাইল-ভিত্তিক আদিবাসী চাল প্রচারক হাসান মাহিদি অস্থায়ী হাটটির সমন্বয় করছেন। এ হাটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনকারী এবং বিক্রেতারা তাদের পণ্য প্রদর্শন করেন।

ছাত্রলীগের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় উপ-কমিটির সাবেক সদস্য দুরন্ত বিপ্লব (৫১) ২০২২ সালের ৭ নভেম্বর নিখোঁজ হন। পাঁচ দিন পর বুড়িগঙ্গা নদীতে তার লাশ পাওয়া যায়।

হাসান মাহিদী বলেন, ‘‘দেশি চালের হাট দুরন্ত বিপ্লবের একটি বৈপ্লবিক ধারণা। তার কিছু অনুসারী ২০২২ সালে এটি বাস্তবায়ন শুরু করেন। ঢাকার পলাশীতে ফুটপাথে এর যাত্রা শুরু হয়। এরপর শাহবাগ ও মিরপুর-১০ এ দিনভর বেচাকেনা হয়। সে বছর মোট তিনটি হাট অনুষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু ২০২৩ সালে কোনো হাট অনুষ্ঠিত হয়নি।’’

শাহবাগে, হাটে বিভিন্ন ধরণের দেশীয় জাতের ধান (অর্ধেক বা সম্পূর্ণ আঁশযুক্ত) ও ধানের বীজ প্রচার করে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করে, যা চাহিদার অভাবে প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

চাল ছাড়াও হাটটিতে রয়েছে পাহাড়ের বিন্নি চাল, হাতে তৈরি ব্রাউন সুগার, হাতে ভাজা পাফ করা চাল, চ্যাপ্টা চাল, কাউন চাল, বার্লি গুঁড়া, বাদামী গমের আটা, তিল, তিসি, খেজুরের গুড়, মধু, চুইঝাল, সরিষার তেল, তিসি এবং কালোজিরার তেলসহ খাদ্য সামগ্রী।

পণ্য বিক্রির এই হাটে পাশাপাশি দেশি চালের লাঞ্চ ও ডিনার প্ল্যাটার, ছয় রকমের সবজি ও ডাল পাওয়া যাচ্ছে ১৪৯ টাকায়।

মিনিকেট বা নাজিরশাইল নামে পালিশ করা ও ছাঁটা চালের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে ঐতিহ্যবাহী এই দেশি চালের জাতগুলো বাজারে বিক্রি হয় না।

কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশে মিনিকেট বা নাজিরশাইল নামে কোনো ধানের জাত নেই। প্রকৃতপক্ষে ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের জন্য ব্রি-২৮ ও ব্রি-২৯ ধানের জাত ছাঁটাই করে এই চাল তৈরি করেন।

ভোক্তারা পালিশ করা ও সূক্ষ্ম চাল খুঁজতে গিয়ে ছেঁটে দেওয়া জিরা শাইল ও শম্পা কাটারি কিনে প্রতারিত হচ্ছেন।

About

Popular Links