জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মীর মশাররফ হোসেন হলে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতাসহ চারজনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শুনানি শেষে তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাবেয়া বেগমের আদালত।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- জাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাব্বির হাসান সাগর, ৪৬তম ব্যাচের সাগর সিদ্দিক ও ৪৫তম ব্যাচের হাসানুজ্জামান।
এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়ার থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. মিজানুর রহমান আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
এ সময় আসামিদের পক্ষে আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। জামিনের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষ। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আনোয়ারুল কবীর বাবুল এ তথ্য জানান।
শনিবার সন্ধ্যায় প্রথমে ভুক্তভোগী নারীর স্বামীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেকে আনেন মামুন নামে এক বহিরাগত। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এলে তাকে মীর মশাররফ হোসেন হলের “এ” ব্লকের ৩১৭ নম্বর কক্ষে জিম্মি করেন অভিযুক্তরা। মামুন তার বাসায় রেখে আসা জিনিসপত্র জিম্মির স্ত্রীকে নিয়ে আসতে বলেন।
ওই নারী মামুনের জিনিসপত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে এলে সেগুলো বুঝে নেন মামুন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা তাকে “স্বামী অন্য গেট (জঙ্গলের দিক) থেকে আসছেন” বলে হল সংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগীর স্বামী রাতেই বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।



জাবিতে গণধর্ষণ: অবৈধভাবে হলে থাকতেন ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজ
জাবিতে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে ঢাবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন