Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অপসারণের দাবিতে সৈয়দপুর কলেজে অধ্যক্ষের কক্ষে ছাত্রলীগের তালা

অধ্যক্ষের অপসারণ করা না হলে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২৪, ০৯:৪৮ এএম

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এক শিক্ষক তার বক্তব্যে “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান” না বলায় নীলফামারীর সৈয়দপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতারা।

রবিবার (২৪ মার্চ) দুপুরে ওই তালা ঝুলিয়ে দেন তারা। এদিন কলেজ চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন তারা। সমাবেশ থেকে অবিলম্বে কলেজের অধ্যক্ষের অপসারণের দাবি করেন ছাত্রলীগের নেতারা।

তাদের অভিযোগ, গত ৭ মার্চ কলেজ কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগান দেওয়া হয়নি। এজন্য গত ১৫ দিন ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের অপসারণে দাবিতে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল, মিটিংসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে কলেজের অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয় ছাত্রলীগ।

এ সময় কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষের দরজায় “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু না বলায় অধ্যক্ষের কক্ষে তালা” স্লোগান সম্বলিত পোস্টার লাগিয়ে দেন তারা। পোস্টারে আরও লেখা হয়, “চলছে লড়াই চলবে, ছাত্রলীগ লড়বে”।

এদিন কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষের সামনে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশ বক্তব্য রাখেন, সৈয়দপুর সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি শাহ আলম রনি ও সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ সরদার।

অধ্যক্ষ ড. আতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তার অপসারণ করা না হলে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন।

ছাত্রলীগ শাখার সাধারণ সম্পাদক আকাশ সরদার বলেন, “অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. আতিয়ার রহমান একজন জামায়াতপন্থী। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানটি তিনি মেনে নিতে পারেন না। তাই ওই দিবসে তিনি ছুটি দেখিয়ে বিএনপিপন্থি শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামানকে দায়িত্ব দেন অনুষ্ঠান পরিচালনার। তিনিও অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা জয়, বঙ্গবন্ধু স্লোগানটি’ উচ্চারণ না করে সভার কাজ শেষ করেন। এ নিয়ে ফুঁসে ওঠে ছাত্রলীগসহ সাধারণ শিক্ষার্থী।”

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ ড. আতিয়ার রহমান অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “কলেজের কাজে আমি ঢাকায় অবস্থান করছি। বিষয়টি আমি শুনেছি। ঐতিহাসিক ৭ মার্চে কলেজের অনুষ্ঠানে আমি উপস্থিত ছিলাম না। ওই দিন আমি সরকারি একটি প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষক হিসেবে রংপুরে দায়িত্ব পালন করেছিলাম। অথচ আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীনভাবে অভিযোগ তোলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে কলেজের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে যা যা করার প্রয়োজন, আইনগতভাবে তা করা হবে।”

About

Popular Links