শিক্ষা উপদেষ্টার বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে হল থেকে বেরিয়ে মিছিল নিয়ে মহাখালীতে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ক্যাম্পাস থেকে “বারাসাত ব্যারিকেড টু নর্থ সিটি” ব্যানারে মিছিল নিয়ে মহাখালী মোড় অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। এরপর সন্ধ্যা পৌনে সাতটার মিছিল নিয়ে মহাখালী মোড়ে পৌঁছায়। এরপর শিক্ষার্থীরা সড়কে বসে পড়েন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে রাত আটটার দিকে শিক্ষার্থীরা সড়ক ছেড়ে ফের ক্যাম্পাসের সামনে ফিরে যান। এরপর মহখালী-বিমানবন্দর সড়কে যান চলাচল শুরু হয়।
এর আগে সকালে, বিশ্ব ইজতেমার কারণে মুসল্লিদের ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে পূর্বঘোষিত মহাখালীতে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি শিথিল করে গুলশান-মহাখালী সড়ক বন্ধ করে ক্যাম্পাসের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এরপর পরিকল্পনা কমিশনে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে নিজ দপ্তর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “তিতুমীরসহ ৭ কলেজকে নিয়ে সরকার গঠিত কমিটি স্বতন্ত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। সময় বেঁধে দিয়ে তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা করা যৌক্তিক না।”
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে অযৌক্তিকভাবে একটা বিশ্ববিদ্যালয় করে দেবো, আর সেটার ভার পরবর্তী সরকারকে বহন করতে হবে। এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারবো না।”
এরপর সন্ধ্যায় শিক্ষা উপদেষ্টার ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করে সড়কে নেমে আসেন শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতির দাবিতে টানা পঞ্চম দিনের মতো অনশন করছেন তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। এরইমধ্যে রানা আহমেদ নামে অনশনরত এক শিক্ষার্থীকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।



শিক্ষা উপদেষ্টা: দাবির মুখে সরকার কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করবে না