Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ট্রলের জবাবে যা বললেন সলিমুল্লাহ খান

অতিথিদের পেছনে পুরস্কারপ্রাপ্তদের দাঁড় করিয়ে করা হয় বাংলা একাডেমি পুরস্কারের ফটোসেশন

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:৪৬ এএম

মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধনের দিন দেশের সাত কবি-লেখকের হাতে “বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ২০২৪” তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তবে অনুষ্ঠানে পুরস্কৃতদের পেছনে দাঁড় করিয়ে ফটোসেশন করা নিয়ে চলছে বিতর্ক আর সমালোচনা। সেই সমালোচনায় যোগ দিয়েছেন খোদ পুরস্কারপ্রাপ্তদের একজন, লেখক অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান।

রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, “বাংলা একাডেমি যদির ‘আদব-কায়দা না জানে’, আমাদের কী করার আছে!”

এ বছর সাহিত্য পুরস্কারের জন্য প্রথমে মনোনীত ১০ জনের নাম প্রকাশ করে বাংলা একাডেমি। তবে সেই তালিকা নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে তা স্থগিত করা হয়। চার দিন পর তিনজনকে বাদ দিয়ে নতুন করে তালিকা প্রকাশ করা হয়; যা নিয়েও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। শনিবার বিকেলে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অবশেষে আলেচিত সেই পুরস্কার তুলে দেওয়া হলো।

সে সময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।

এরপর অতিথিদের পেছনে পুরস্কারপ্রাপ্তদের দাঁড় করিয়ে সারা হয় পুরস্কারের ফটোসেশন পর্ব। এবার প্রবন্ধ/গদ্যে পুরস্কার পাওয়া সলিমুল্লাহ খানও ছিলেন পেছনে দাঁড়ানো পুরস্কারপ্রাপ্তদের কাতারে। ওই ছবি নিয়ে নতুন করে সমালোচনা শুরু হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

পুরস্কার নেওয়ার পরদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বরে জাতীয় কবিতা পরিষদের এক অনুষ্ঠানে এসে সলিমুল্লাহ খান বলেন, “গতকাল বাংলা একাডেমির পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান নিয়ে অনেকে ট্রল করছে। আমাকে জিজ্ঞেস করছে, ছাত্রদের সামনে বসিয়ে আপনারা পেছনে দাঁড়িয়েছিলেন কেন। আমি বলেছি, তারা ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে বসেছে। বাংলা একাডেমি যদি মানুষকে সম্মান প্রদর্শন করতে না জানে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করব নাকি? তাদের আদব-কায়দা যদি না থাকে আমরা কী করব?”

সমালোচনার জবাবে অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান বলেন, “লোকজন বলছে, আপনি পুরস্কার নিলেন কেন? আরে…পুরস্কার নেওয়ার পরেই তো বেইজ্জতটা করছে।”

বাংলা একাডেমি এবং আয়োজকদের সমালোচনা করে লেখক বলেন, “এখানেও দাসত্বের অবসান করতে হবে। দাসত্বের অবসান করতে হলে সবাইকে এক করতে হবে। সকলেই যদি আমরা সমান না হই, তাহলে আমরা এক হব না। ২৪ এর আন্দোলনের মূল বৈশিষ্ট্য ছিল বৈষম্যবিরোধী, এটা ‘সাম্য’ কথাটারই একটি অনুবাদ।”

   

About

Popular Links

x