ঝালকাঠির সদর উপজেলার পূর্ব গুয়াটন এলাকায় তালগাছ কেটে শতাধিক বাবুই পাখির বাসা ধ্বংস ও ছানা হত্যার ঘটনায় দায়ের করা পৃথক দুটি মামলায় মোবারক ফকির নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ এলাকা থেকে মোবারক আলীকে তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
এদিন দুপুরে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের অভিযোগে ফৌজদারি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান অভিযুক্ত মোবারক ফকিরকে পিরোজপুরের নেছারাবাদ থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে ঝালকাঠি সদর থানা পুলিশ।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক ছিলেন। মোবারক ফকিরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”
প্রসঙ্গত, গত ২৮ জুন বিকেলে একদল মানুষ গুয়াটন এলাকার একটি বিশাল তালগাছ কেটে ফেলেন। মোবারক আলী ফকিরের মালিকানাধীন জমির তালগাছটি দীর্ঘদিন ধরে বাবুই পাখির নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত ছিল। এ গাছে অসংখ্য বাবুই পাখির বাসা, ডিম ও ছানা ছিল। গাছটি মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তি ক্রয় করে কাটার ফলে প্রায় শতাধিক ছানা ও ডিম ধ্বংস হয়ে যায়।



তালগাছ কেটে ‘শতাধিক’ বাবুই পাখির ছানা হত্যার অভিযোগ