Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ-সংস্কার কাজ হবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে

দুইটি প্রকল্পে নির্মাণ ও সংস্কার কাজে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১১১ কোটি ১৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২৫, ০২:১০ পিএম

গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের লক্ষে “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর” নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য দুইটি প্রকল্পের কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। দুই প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১১১ কোটি ১৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। 

দুই প্রকল্পেই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে করে আগামী ৫ আগস্ট ২০২৫-এ স্মৃতি জাদুঘরটি উদ্বোধন করা সম্ভব হয়।

জানা গেছে, উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় নির্মাণ কাজ শুরু করলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে  কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না বলে মত দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে দেখিয়ে পিপিএ ২০০৬-এর ধারা ৬৮ ও পিপিআর ২০০৮-এর বিধি ৭৬ (২) অনুযায়ী সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কাজ বাস্তবায়নের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জাদুঘরের ই-এম অংশ নির্মাণ বা সংস্কার কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে “মেসার্স শুভ্রা ট্রেডার্স”কে দিয়ে করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গণপূর্ত বিভাগ। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বৈঠকে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি এটি অনুমোদন দিয়েছে। এতে প্রাক্কলন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০ কোটি ৮২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।

বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আরও এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সিভিল অংশের কাজ “দি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স লি.”কে দিয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর জন্য প্রাক্কলন ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০ কোটি ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

এর আগে,২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনকে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর” হিসেবে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়। এই জাদুঘরে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন, শহিদদের স্মারক এবং বিগত ১৬ বছরের নিপীড়নের দলিল ও চিত্র সংরক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে।

   

About

Popular Links

x