Wednesday, June 17, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মাইলস্টোন ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

কৌতূহলী দর্শনার্থী ও সাধারণ মানুষদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২৫, ০৬:৫৯ পিএম

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের মর্মান্তিক ঘটনার পর প্রতিষ্ঠানটির মূল ফটক বন্ধ রাখা হয়েছে। কৌতূহলী দর্শনার্থী ও সাধারণ মানুষদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। একইসঙ্গে সাংবাদিকদেরও ভেতরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (২৩ জুলাই) বুধবার সকাল থেকেই প্রতিষ্ঠানটির মূল ফটক বন্ধ রাখা হয়েছে।

মূল ফটকে দায়িত্বরত এক নিরাপত্তাকর্মী ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও অনুমতি সাপেক্ষে অভিভাবকদের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।”

স্কুল প্রাঙ্গণের বাইরে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য শামীম বলেন, “আমাদের ওপর স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, সাংবাদিক বা সাধারণ দর্শনার্থীদের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি নেই।”

সরেজমিনে দেখা যায়, পেছনের দিক দিয়ে দুর্ঘটনাস্থল দেখতে আসা সাধারণ মানুষকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া শিক্ষার্থীরা পুড়ে যাওয়া ক্লাসরুমের সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার চেষ্টা করলে নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বাধা দেন। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে নিরাপত্তাকর্মীদের মধ্যে বচসা হয়।

মঙ্গলবারের মতো বুধবারও সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির সামনে কৌতূহলী মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা গেটের ফাঁক দিয়ে দুর্ঘটনাস্থলের ছবি তুলতে ও ভিডিও ধারণ করতে চেষ্টা করেন। স্কুলের শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবশ্য নির্বিঘ্নে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক রাসেল মল্লিক ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “বিমান দুর্ঘটনার দিনই আমাদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে জানিয়ে দেওয়া হয় যে আগামী তিনদিন স্কুল বন্ধ থাকবে। গতকাল সাংবাদিকসহ সকলের প্রবেশ উন্মুক্ত ছিল। তবে আজ থেকে ক্যাম্পাসে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে এবং নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “গতকাল সংবাদমাধ্যমের যেসব তথ্য, ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করার প্রয়োজন ছিল, তা সংগ্রহ করেছে। আজকে নতুন কিছু নেই। যেহেতু আমরা আগামী রবিবার থেকে পুনরায় শ্রেণি কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছি, তাই পুড়ে যাওয়া কক্ষগুলো মেরামত কাজ শুরু হয়েছে। আমরা চাই না শিক্ষার্থীদের মনে ভয় থেকে যাক। তাই ক্লাসরুমগুলো নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে।”

মিরপুর থেকে আসা এক দম্পতি জানান, বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর অনেক ভিডিও দেখেছি। আজ এসেছিলাম সরাসরি দেখার জন্য। কিন্তু গেট বন্ধ থাকায় বাইরে থেকে ঘুরে চলে যাচ্ছি।

   

About

Popular Links

x