ভিসা ফিসহ দূতাবাসের বিভিন্ন সেবার বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রায় নেওয়া অর্থ বিদেশি মুদ্রায় রূপান্তর করে নিজ দেশে নেওয়ার জন্য এখন থেকে দূতাবাসগুলোকে অনুমোদন নিতে হবে না।
সোমবার (২২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে।
বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদন নেওয়ার আগের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে জানায়, অনুমোদিত এজেন্সির বেলাতেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। বাংলাদেশে অনেক রাষ্ট্রের দূতাবাস না থাকলেও ভিসা কেন্দ্র ও এজেন্সি রয়েছে।
তবে বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় করতে ব্যাংকের অনুমোদিত ডিলার (এডি) শাখাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একইসঙ্গে স্থানীয় সব ধরনের কর কেটে রাখতে হবে এডি শাখাকে।
এর আগে দূতাবাসগুলোর লেনদেন সহজ করতে গত মে মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক পৃথক সার্কুলার দেয়।
সার্কুলারে বিভিন্ন দূতাবাস বা এমন আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষ যাদের কাছ থেকে ভিসা পেতে পূর্বশর্ত হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রায় জামানত রাখতে হয়, তাদের জন্যও বৈদেশিক মুদ্রা বরাদ্দ করার সুযোগ দেওয়া হয়।
অবশ্য ফেরতযোগ্য বা মেয়াদ শেষে বাংলাদেশে প্রত্যাবসন হবে এমন অর্থ কেবল জামানত হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রায় রাখা যাবে। জামানতের মেয়াদ শেষে ব্যাংকগুলোকে বৈদেশিক মুদ্রার অর্থ ফেরত আনতে হবে।
ফলে কর্মশালায় অংশ নেওয়া বিদেশ পড়াশোনা বা অন্য কোনো উদ্দেশে কোনো দেশে যাওয়ার সময়ে ঢাকায় থাকা দেশগুলোর দূতাবাসগুলোকে বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি বা জামানত দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।



