Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ক্রমাগত কমছে টাকার মান

কারেন্সি এক্সচেঞ্জ রেটও একইভাবে ডলারের বিপরীতে কমছে

আপডেট : ১৯ মে ২০২২, ০১:১৬ পিএম

মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার দর আরও কমেছে। এক মাসেরও বেশি সময় পর এমন পতনে মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) আন্তঃ-ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার (ফরেক্স) বাজারে টাকার মূল্য ০.২৫ টাকা কমেছে বলে বাজার অপারেটররা জানিয়েছেন।

তার আগের কার্যদিবসের ৮৬.২০ টাকার বিপরীতে প্রতি ডলারে দর থাকলেও তা কমে ৮৬.৪৫ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। চলতি বছরের ২১ মার্চও এক ডলারের বিপরীতে ৮৬ টাকা ছিল।

কারেন্সি এক্সচেঞ্জ রেটও একইভাবে ডলারের বিপরীতে কমে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, ব্যাংকগুলোও তাদের টেলিগ্রাফিক ট্রান্সফার (টিটি) রেমিটরদের কাছে ৮৫.২৫ টাকার বিপরীতে বিনিময় মূল্য বাড়িয়ে ৮৫.৫০ টাকা করেছে।

তবে আন্তঃ-ব্যাংক ফরেক্স মার্কেট এবং গ্রাহক পর্যায়ে মঙ্গলবার থেকে বুধবার ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার অপরিবর্তিত রয়েছে।

কিন্তু কিছু ব্যাংক গ্রাহকদের আমদানি-প্রদানের বাধ্যবাধকতা মেটানোর জন্য “কর্পোরেট ডিলের” নামে ৯২ টাকার বেশি ডলার লেনদেন করেছে বলে অপারেটররা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মঙ্গলবার মার্কিন ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন হয়েছে।

তিনি জানান, চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের উচ্চমূল্যের কারণে সম্প্রতি ডলারের চাহিদা বেড়েছে।

অপারেটররা ব্যাখ্যা করেন, গত কয়েক মাসে আমদানি-প্রদানের বাধ্যবাধকতাগুলোর তুলনায় প্রচুর বৃদ্ধির কারণে বৈদেশিক মুদ্রার উচ্চতর বহিঃপ্রবাহের পটভূমিতে টাকার সর্বশেষ অবচয় ঘটেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মূল্যের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণভাবে প্রকৃত আমদানি হিসেবে পরিচিত লেটার অব ক্রেডিট ২০২২ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ মাসের মধ্যে প্রায় ৫০% বেড়ে ৬০.৫৭ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। যা আগের একই সময়ের ৪০.৪৮ বিলিয়ন ডলার ছিল।

অন্যদিকে, একই সময়কালে “ইমপোর্ট অর্ডার” ৪৬%-এর বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ৬৮.৩৬ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। যা ২০২১ অর্থবছরের একই সময়ে ৪৬.৮১ বিলিয়ন ডলার ছিল।

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে এক বছরেরও বেশি সময় পর দেশীয় এবং বৈশ্বিক উভয় স্তরেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় চালু হওয়ায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাংলাদেশের সামগ্রিক আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

অপারেটরদের মতে, কম রেমিট্যান্স প্রবাহও সম্প্রতি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে চাপ বাড়িয়েছে।

২০২২ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্স প্রায় ১৮% কমে ১৫.৩০ বিলিয়ন ডলার হয়েছে যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ১৮.৬০ বিলিয়ন ডলার ছিল।

   

About

Popular Links

x