Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঈদের আগে বেতন-ভাতা বুঝিয়ে দিয়েছে বেশিরভাগ পোশাক কারখানা

ঈদ-উল-ফিতরের আগে পোশাক কারখানায় বেতন-ভাতা নিয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২৩, ০৯:৩৭ পিএম

ঈদের আগে বেশিরভাগ পোশাক কারখানা শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বুঝিয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছে শিল্প পুলিশ ও শিল্প সংশ্লিষ্টরা।

কারখানা মালিক ও শ্রমিক নেতারা বলছেন, ১৯ এপ্রিল বা এর আগেই এসব বেতন-ভাতা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে ঈদ-উল-ফিতরের আগে পোশাক কারখানায় এসব নিয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

শিল্প পুলিশের তথ্য বলছে, ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) ১,৪৯০টি কারখানা ২০২৩ সালের মার্চ মাসে তাদের মজুরি পরিশোধ করেছে, যা বিজিএমইএর মোট ১,৬৩১টি কারখানার ৯১.৩৫%।

বিজিএমইএ জানিয়েছে, ২,১৫১টি কারখানার মধ্যে ২,১২৬টি কারখানা (৯৮.৮৪%) ১৯ এপ্রিলের মধ্যে মজুরি পরিশোধ করেছে।

শিল্প পুলিশের তথ্যে বলা হয়, বিজিএমইএর ১,৬৩১ টি কারখানার মধ্যে ৮৭৮ বা ৫৩.৮৩% কারখানা তাদের ঈদ-উল-ফিতর বোনাস পরিশোধ করেছে।

তবে বিজিএমইএ জানিয়েছে, ১৯৩৬ বা ৯০% কারখানায় ঈদ বোনাস দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) ৭০০ কারখানার মধ্যে ৬২১টি বা ৮৮.৭১% কারখানা তাদের মার্চ মাসের মজুরি পরিশোধ করেছে।

যদিও শিল্প পুলিশের তথ্য বলছে, যেখানে ৪৬৭ বা ৬৬.৭১% ঈদ বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে।

এছাড়া বিটিএমএর ৩৫৮ কারখানার মধ্যে ৩৩৫ বা ৯৩.৫৮% কারখানা তাদের মার্চ মাসের মজুরি পরিশোধ করেছে।

শিল্প পুলিশের তথ্য বলছে, এই বিভাগে ১৯২ কারখানার ৫৩.৬৩% ঈদ বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে।

বেপজার আওতাধীন ৩৪৫ কারখানার মধ্যে ৩৪৪টি কারখানা বা ৯৯.৭১% কারখানা তাদের মার্চ মাসের মজুরি পরিশোধ করেছে।

শিল্প পুলিশের তথ্য বলছে, এই বিভাগে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত ৩২৭ কারখানা বা ৯৪.৭৮% তাদের মজুরি পরিশোধ করেছে।

এপ্রিলের আংশিক বেতনের বিষয়ে বিজিএমইএ বলছে, ১,৭৬৮ টি কারখানা বা ৮২.১৯% এপ্রিল ২০২৩-এর আংশিক বেতন পরিশোধ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঢাকা ট্রিবিউনের সাথে আলাপকালে বিজিএমইএর সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম বলেন, “তারা আশাবাদী ২০ এপ্রিলের মধ্যে বিএমজিইএর সকল সদস্যদের শতভাগ শ্রমিকদের মজুরি, ভাতা ও বোনাস পরিশোধ করতে পারবে।”

ঢাকা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের (বিজিআইডব্লিউএফ) চেয়ারম্যান বাবুল আক্তার বলেন, “বেশিরভাগ কারখানাই তাদের শ্রমিকদের মজুরি ও বোনাস ইতিমধ্যেই পরিশোধ করেছে।”

তিনি বলেন, এই সময়ে কোনো ঝামেলার অভিযোগ পাওয়া যায়নি।”

“তবে প্রতিবারই মেম্বারবহির্ভূত ও সাব-কন্ট্রাক্টের ছোট কারখানায় নির্ধারিত তারিখে মজুরি ও বোনাস দিতে না পারায় সমস্যা দেখা দেয়, ফলে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয়। তবে এ বছর পরিস্থিতি ভিন্ন,” তিনি যোগ করেন।

এদিকে, অর্থ মন্ত্রণালয় ঈদ-উল-ফিতরের আগে বেতন ও ঈদ বোনাস প্রদানের জন্য আর্থিক সহায়তার জন্য বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী নিটওয়্যার সেক্টরের জন্য এক হাজার কোটি টাকার নগদ প্রণোদনা ছাড় করেছে।

এর আগে ৩০ মার্চ বিকেএমইএ এর সভাপতি একেএম সেলিম ওসমানের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি ইস্যু করে নগদ সহায়তার অনুরোধ করে।

About

Popular Links