Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এফআইসিসিআই: বাজেটে প্রস্তাবিত লক্ষ্যমাত্রা খুবই চ্যালেঞ্জিং

নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্থানীয় শিল্পের উন্নয়নে কোনো প্রণোদনা না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এফআইসিসিআই

আপডেট : ০৩ জুন ২০২৩, ০৬:২১ পিএম

বাজেটে প্রস্তাবিত লক্ষ্যমাত্রা খুবই চ্যালেঞ্জিং। তবে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হলে অর্থনীতিতে একটি নতুন যাত্রা শুরু হবে বলে মনে করে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সংগঠন ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই)।

প্রস্তাবিত বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন মন্তব্য করে সংগঠনটি।

এফআইসিসিআই বলছে, অভ্যন্তরীণ নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করায় দ্রুত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ইতিবাচক ধারা তৈরি করবে। কিন্তু শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতের বরাদ্দ পর্যাপ্ত নয়। 

“বাজেট বরাদ্দ ব্যয়ে সরকারের আরও বেশি গুণগত পরিবর্তন নিয়ে আসা উচিত। গুণগত এ পরিবর্তন কর্মক্ষেত্র তৈরিতে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ব্যাংকখাত থেকে নেওয়া ঋণ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এর মাধ্যমে দেশে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে থাকবে।” 

নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্থানীয় শিল্পের উন্নয়নে কোনো প্রণোদনা না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এফআইসিসিআই।

সংগঠনটি বলছে, “সরকার কিছু শিল্পের স্থানীয় উৎপাদকদের ওপর ভ্যাট আরোপ করেছে। এসব শিল্পের মধ্যে রয়েছে স্মার্টফোন উৎপাদনকারী, সফটওয়্যার উন্নয়ন-সংশ্লিষ্টসহ বেশকিছু শিল্প। তাদের জন্য কোনো ধরনের প্রণোদনা না দিয়ে উল্টো ভ্যাটের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

 বাজেটের ছয়টি দিক নিয়ে উদ্বেগ

বাজেটের ছয়টি দিক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এফআইসিসিআই বলছে, “কর হারে সংশোধনীর ক্ষেত্রে আগের কর হারের প্রভাবকে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। ফলে করহার পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাশিত হয়নি। তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে ২০% আয়করের সুবিধা প্রাপ্তির সঙ্গে নগদে লেনদেন না করা সংক্রান্ত জটিল শর্তের অবসানের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। এ জটিল শর্তের অবসান না হওয়া উদ্বেগজনক। বিষয়টির সমাধান এবং আইপিওর পাশাপাশি আরপিওর (রিপিট পাবলিক অফারিং) ক্ষেত্রেও হ্রাসকৃত করের এ সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি। কর্পোরেট করের এ ধরনের চর্চা-শর্ত পৃথিবীর কোথাও নেই। কর্পোরেট ট্যাক্সের বিষয়টিকে যুক্তিযুক্ত করতে হবে। গতবারের বাজেটে এটা ছিল, প্রস্তাবিত বাজেটেও এ নিয়ে কিছু করেনি। আগের মতোই রেখে দিয়েছে।” 

প্রযুক্তি খাতের বিষয়ে এফআইসিসিআই বলছে, অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সমন্বিত প্রযুক্তি কৌশল, ই-ইনভয়েসিং প্রবর্তনের জন্য বলা হয়। রাজস্ব আদায়ে আরও বেশি স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়নি। এছাড়া শুল্ক মূল্যায়ন আইন-২০০০-এর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ রেখে শুল্ক মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল এফআইসিসিআই, সে বিষয়েরও কোনো সমাধান করা হয়নি।

About

Popular Links