Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কাশিমপুর-কোনাবাড়ীর বেশিরভাগ পোশাক কারখানা চালু

তবে ওই এলাকার তিনটি পোশাক কারখানা এখনও বন্ধ রয়েছে

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২৩, ০৯:২৮ পিএম

গাজীপুরের কোনাবাড়ী ও কাশিমপুর এলাকার অধিকাংশ তৈরি পোশাক কারখানা ফের কার্যক্রম শুরু করেছে। শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে চাওয়ায় কারখানাগুলো চালু করা হয়।

তবে এখনও ওই এলাকার তিনটি পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) তৈরি পোশাক খাতে শ্রম পরিস্থিতি সম্পর্কে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

এর আগে, বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান ১২ নভেম্বর বলেন, “চলমান অস্থিরতা পরিহার করে শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় যোগ দিলেই পোশাক কারখানাগুলো আবার চালু হবে।”

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “বিজিএমইএর আহ্বানে সাড়া দিয়ে কাশিমপুর ও কোনাবাড়ী এলাকার শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দেন।”

“কাশিমপুর ও কোনাবাড়ী এলাকার উল্লিখিত তিনটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গেও আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। যদি তারা কাজে যোগ দিতে চায়, কারখানা খোলা হবে,” তিনি যোগ করেন।

তিনি বলেন, “আশুলিয়া ও মিরপুরে প্রায় ৯৯টি পোশাক কারখানা এখনও বন্ধ রয়েছে এবং তারা এসব কারখানার সঙ্গেও আলোচনা করছেন।”

ফারুক হাসান বলেন, “শ্রমিকরা কাজ করতে চাইলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কারখানা চালু করা হবে।”

“তবে অন্যান্য প্রধান আরএমজি শিল্প কেন্দ্র যেমন টঙ্গী, গাজীপুর, শ্রীপুর, মাওনা, ময়মনসিংহ, সাভার ইপিজেড, নারায়ণগঞ্জ, ডিএমপি এবং চট্টগ্রামে উৎপাদন প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে চলছে।”

ফারুক হাসান বলেন, “দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে কলকারখানা খোলা রাখার বিষয়ে ইতিবাচক জনমত ছড়িয়ে দিয়ে সংবাদমাধ্যম এই শিল্পে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।”

তিনি বলেন, “তারা বিশ্বাস করেন শ্রমিক, শ্রমিক সংগঠন, সরকার, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসন, শিল্প পুলিশ সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং স্থানীয় জনসাধারণের সর্বসম্মত সহযোগিতা এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে যা ৪.৪ মিলিয়ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।”

ফারুক হাসান বলেন, “সংশ্লিষ্ট সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে শিল্পের প্রতি সংহতি বজায় রেখে শিল্পকে সমর্থন দিয়ে শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।”

গত ২৩ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত পোশাক খাতে অসন্তোষ চলে। অস্থিরতার কারণে শ্রম আইনের ১৩ (১) ধারার অধীনে ১৩০টি কারখানা বন্ধ করা হয়।

২৩ অক্টোবর মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া, কোনাবাড়ী, গাজীপুর, কাশিমপুরের মতো প্রধান শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং সহিংস রূপ নেয়। ফলে সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর, কারখানা এবং অন্যান্য অবকাঠামোতে অগ্নিসংযোগ এবং চারজন শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটে।

সরকার গত ৭ নভেম্বর ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের সর্বশেষ সভায় শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২,৫০০ টাকা নির্ধারণ করে এবং ১২ নভেম্বর খসড়া প্রস্তাবের ওপর গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করে।

   

About

Popular Links

x