Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কে-পপ শিল্পীদের জনপ্রিয়তা কমছে

বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, কে-পপ শিল্পীদের জনপ্রিয়তা হ্রাসের অন্যতম কারণ তাদের সংগীতের বাইরের জীবন

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২৪, ১২:৩২ পিএম

দক্ষিণ কোরিয়ার কে-পপ শিল্পীদের জনপ্রিয়তা ঝড়ের বেগে বৃদ্ধি পাওয়ার সেই ধারা এখন আর নেই। যদিও আগের জনপ্রিয় শিল্পীদের অনেকেই এখনে দেশের বাইরে ভীষণ ব্যস্ত, কিন্তু দেশে অনেক শিল্পীরই অবস্থা ভীষণ খারাপ।

কে-পপ হলো দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্কৃতির বিশাল অঙ্গন “হালিউ”-এর সামান্য একটা অংশ। “হালিউ” শব্দটি এসেছে চীন থেকে। চীনা ভাষায় “হালিউ” অর্থ দক্ষিণ কোরিয়ার ঢেউ। সেই ঢেউয়ের এখন যত দাপট তার প্রায় সবই দক্ষিণ কোরিয়ার বাইরে।

ব্ল্যাকপিংক, বিটিএস এবং গ্যাংনাম স্টাইলখ্যাত ইরেসিবল সাই (পিএসওয়াই) তাই অনুষ্ঠান আর নানান চ্যানেলে সাক্ষাৎকার, টকশো নিয়ে মহাব্যস্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। অথচ দেশে ছোট ছোট বা নতুন গ্রুপগুলো এখন অনেকটাই অস্তিত্ব সংকটে।

স্ক্যান্ডালের প্রভাব?

বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, সাম্প্রতিক সময়ে কে-পপ শিল্পীদের জনপ্রিয়তা হ্রাসের অন্যতম কারণ তাদের সংগীতের বাইরের জীবন। ২৪ বছর বয়সী গায়িকা কারিনার অভিনেতা লি জা্যে-উকের সঙ্গে রোমান্স নারীদের ব্যান্ড আয়েসপা-কে তো ভীষণ বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছিল।

তবে সৌল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ পার্ক সাইং-ইন মনে করেন, জনপ্রিয়তায় ভাটার বিষয়টি মোটেই কে-পপ-কেন্দ্রিক নয়। তার মতে, এ মুহূর্তে দক্ষিণ কোরিয়ার পুরো সাংষ্কৃতিক অঙ্গনেই এক ধরনের খরা চলছে, “অতীতে অনেক জনপ্রিয় টিভি ড্রামা উপহার দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া৷বলতে গেলে সারা বিশ্বেই জনপ্রিয় সেগুলো। কিন্তু সেই দিন এখন আর নেই।”

দক্ষিণ কোরিয়ার টেলিভিশনও সেই “ছন্দ” হারিয়েছে। তাই পার্ক মনে করেন দক্ষিণ কোরিয়ার চলচ্চিত্র বা সংগীতের ক্ষেত্রেও এমন হতেই পারে। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় কে-পপ গাঠনিক দিক থেকে অনেক পোক্ত। তা সত্ত্বেও তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।”

   

About

Popular Links

x