Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

চর বিজয়ের লাল কাঁকড়ার দল আপনাকে ডাকছে

দ্বীপে লাল কাঁকড়ার ছুটোছুটি পর্যটকদের মনে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি সৃষ্টি করে

আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:২০ এএম

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা "চর বিজয়"কে ঘিরে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

গত কয়েক দশকে পটুয়াখালীর দক্ষিণ উপকূলে এ ধরনের বেশ কয়েকটি দ্বীপ জেগে উঠেছে।

প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটারের দ্বীপ “চর বিজয়” হাজার হাজার পরিযায়ী পাখি এবং অগণিত লাল কাঁকড়ার আবাসস্থল। ছোটোছোটো লাল কাঁকড়াগুলো যখন মাটিতে ছুটে বেড়ায় তখনন দূর থেকে মনে হয় পুরো দ্বীপটি লাল গালিচায় ঢাকা। একইসঙ্গে অসংখ্য পাখির ঝাঁক দ্বীপটিকে স্বর্গীয় করে তোলে।

কাছ থেকে দেখার চেষ্টা করলে কাঁকড়াগুলো দ্রুত ছুটে পালানোর চেষ্টা করে, যা পর্যটকদের মনে অন্যরকম রোমাঞ্চকর অনুভূতি সৃষ্টি করে।

২০১৭ সালের ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এই দ্বীপটির স্বীকৃতি দেওয়া হয়। যেহেতু ডিসেম্বর বাংলাদেশে বিজয়ের মাস তাই দ্বীপটির নামকরণ করা হয় “চর বিজয়”।

হাসান সৌরভ নামে এক পর্যটক বলেন, “এই দ্বীপটি পাখি ও লাল কাঁকড়ায় ভরপুর। কুয়াকাটা এসে চর বিজয়ে না গেলে ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।”

কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, “কুয়াকাটায় আসা পর্যটকরাও এখন চর বিজয়ে যান। এখানের পর্যটনের উন্নয়নে সরকার কিছু বিশেষ উদ্যোগ নিলে দ্বীপটিতে প্রচুর ভিড় দেখা যাবে।"

কুয়াকাটার স্থানীয় ট্যুর অপারেটর ইমরান হোসেন বলেন, “সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগকারীদেরও এই দ্বীপগুলোর উন্নয়নে মনোযোগ দিতে হবে।”

তিনি বলেন, “চর বিজয়ের আশপাশের এলাকার সৌন্দর্য উপভোগের জন্য পর্যটকদের জন্য ক্রুজ শিপ বা ছোট জাহাজের ব্যবস্থা করা হলে ব্যবসায় উন্নতি হতে পারে। সঠিক পরিকল্পনা থাকলে চর বিজয় আরেকটি সেন্টমার্টিন দ্বীপ হতে পারে।”

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শংকর চন্দ্র বৈদ্য বলেন, “চর বিজয় বর্তমানে পর্যটন বোর্ডের আওতাধীন। যদিও দ্বীপটি এখনও বাসযোগ্য নয়, তবে ভ্রমণের জন্য আগে থেকেই স্পিডবোট পাওয়া যায়। এছাড়া দ্বীপে ভ্রমণের জন্য পর্যটকরা ট্রলার ব্যবহার করে থাকেন।”

   

About

Popular Links

x