Sunday, June 14, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শপিংয়ে যেতে স্বামীর আপত্তি থাকার পরও নিতে পারেন যেসব উপায়ে!

অনেক ক্ষেত্রে স্ত্রীর সঙ্গে শপিংয়ে যাওয়া স্বামীর দিকে তাকালে মনে হতেই পারে তিনি মুখে চিরতা দিয়ে আছেন

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১২:০৩ পিএম

কেনাকাটা করতে সবারই ভালো লাগে। তবে, সমাজে এরকম একটি বিষয় প্রচলিত আছে যে, পুরষের চেয়ে নারীদের কেনাকাটা করতে বেশি ভালো লাগে। আর নারীদের কেনাকাটা করতে সময়ও বেশি লাগে। যদিও, এক্ষেত্রে বেশিরভাগ নারীর যুক্তি তারা যেকোনো জিনিস ভালোভাবে দেখে কেনেন, তাই তাদের সময় বেশি লাগে।

নারীদের কেনাকাটা প্রীতির কারণে বেশি খরচের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া কিংবা শুপিংয়ে অতিরিক্ত সময় নষ্ট করা, এরকম অনেক কারণেই তাদের সঙ্গে শপিংয়ে যাওয়া এড়িয়ে চলতে চান অনেক পুরুষই। আর সেই পুরুষটি যদি স্বামী হন, তবে স্ত্রীর সঙ্গে শপিং এড়িয়ে চলার দলে তাদের সংখ্যাই বেশি।

আবারঅনেক ক্ষেত্রে স্ত্রীর সঙ্গে শপিংয়ে যাওয়া স্বামীর দিকে তাকালে মনে হতেই পারে তিনি মুখে চিরতা দিয়ে আছেন। এমন অবস্থায় শপিংয়ের আনন্দটাই মাটি হয়ে যেতে পারে। তাই, কিছু কৌশল অবলম্বন করলে সঙ্গীটি বিরক্ত না হয়ে স্বাচ্ছন্দ্যেই যেতে পারে আপনার সঙ্গে শপিংয়ে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেরকম কিছু বিষয়ে-

আগেভাগে পরিকল্পনা করুন: আপনি ঘুরে ঘুরে এ দোকান ও দোকানে নানারকম জিনিসপত্র দেখছেন আর আপনার সঙ্গীটি বিরক্ত হচ্ছেন! তবে, দ্রুত শপিং সেরে ফেলতে ভালো লাগে না, মনে হয় আর একটু দেখি। কিন্তু কাকে সঙ্গে যেদিন শপিং করতে বেরোবেন, সেদিনটা একটু দ্রুত সারার চেষ্টা করুন। মনে মনে প্ল্যান করে নিন আপনার কী কী কেনার আছে আর কোথা থেকে কিনবেন। কেনাকাটার ব্যাপারটা তার সঙ্গে বেরোনোর দিনগুলোতে তাড়াতাড়ি সেরে ফেলতে পারলে পরে আর শপিংয়ে যেতে আপত্তি করবেন না বলেই মনে হয়।আর নিজের সময় নিয়ে আলাদা করে আরেকদিন বের হতেই পারছেন।

শুধু নিজের জিনিস কিনবেন না: স্বামীকে নিয়ে শপিংয়ে বের হলে গোটা দিন জুড়ে কেবল নিজের জন্য শপিং করে গেলে চলবে না।তার কী কী লাগবে সেটাও জিজ্ঞেস করে নিন, তার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাতেও সময় দিন।

বিরতি নিন: একটানা ঘোরাঘুরি করলে একঘেয়েমি, বিরক্তি আসার আশঙ্কা প্রবল। অনেকক্ষণ ধরে কেনাকাটার প্ল্যান থাকলে মাঝেমাঝে রেস্তোরাঁ, কফিশপের বিরতি নিতেই হবে।

অন্তর্বাস: কেনাকাটা যে করতে ভালোবাসে না, তার কাছে ব্যাপারটা সত্যিই একঘেয়ে। আপনার স্বামীও যদি এই দলে পড়েন, তা হলে কেনাকাটার ব্যাপারে তার আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতে তাকে নিয়ে অন্তর্বাস কেনাকাটা করতে পারেনে। এতে করে একঘেয়েমি যে কিছুটা হলেও কাটবে, সেটা নিশ্চিত করেই বলা যায়।

শপিং ব্যাগ ভাগ করে নিন: শপিংয়ে সব ক'টা প্যাকেট স্বামীর হাতেই চাপিয়ে দেবেন না। প্যাকেটের ওজন বুঝে মোটামুটি সমানভাবে দু'জনে ভাগ করে নিন।

সূত্র: ফেমিনা

   

About

Popular Links

x