চুল পরিষ্কার রাখতে নিয়ম মেনে শ্যাম্পু করা উচিত। চুল ছোট হোক বা বড়, শ্যাম্পু করতে হবে নিয়মিত। তবে যেনতেনভাবে শ্যাম্পু করলে হবে না। মানতে হবে কিছু নিয়ম। শ্যাম্পু করার আগে জানতে হবে, চুলের ধরন কী রকম। চুলের ধরন বুঝে শ্যাম্পু বাছাই করতে হবে।
চুলে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহারের কিছু মৌলিক নিয়ম রয়েছে। এগুলো ঠিকঠাক না মানলে চুলের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি হতে পারে।
১. চুলের ধরন বুঝে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার বাছাই করতে হবে। শুষ্ক চুলের জন্য যে শ্যাম্পু প্রয়োজন, তৈলাক্ত চুলের জন্য সেই শ্যাম্পু বেছে নেবেন না। শুষ্ক চুলে ওমেগা-থ্রি রয়েছে এমন ময়েশ্চার সমৃদ্ধ শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। আর স্বাভাবিক চুলে মাইল্ড শ্যাম্পু দিন, রঙিন চুলেও তাই। কোঁকড়া চুল হলে ময়েশ্চারাইজিং শ্যাম্পু বেছে নিন।
২. শ্যাম্পু করার আগে চুল আঁচড়ে জট ছাড়িয়ে নিন। এরপর পুরো চুল ভালোভাবে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিতে হবে। চুল ভালো মতো না ভিজিয়ে সরাসরি শ্যাম্পু দেওয়া যাবে না।
পিক্সাবে৩. যাদের চুল অতিরিক্ত তৈলাক্ত, তারা শ্যাম্পুর সঙ্গে সামান্য বেকিং পাউডার মিশিয়ে নিতে পারেন। চুলের গোড়ার অতিরিক্ত তেল শুষে নেবে এটি।
৪. একটি বাটিতে শ্যাম্পুর সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে এর ঘনত্ব কমিয়ে নিতে হবে, যাতে শ্যাম্পু চুলের গোড়ায় সহজে পৌঁছাতে পারে।
৫. ১৫ মিনিট আঙুল দিয়ে মাথার ত্বক মালিশ করতে হবে। এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে, যা চুলের গোড়াকে মজবুত করবে। আর ম্যাসাজের সময় মাঝে মাঝে হাতে অল্প করে পানি দিয়ে চুলে ফেনা করতে হবে। জোরে জোরে ঘষে ময়লা পরিষ্কারের চেষ্টা করা ঠিক পদ্ধতি নয়।
৬. দ্বিতীয় দফায় আবার শ্যাম্পু করতে হবে। এবার আর ম্যাসাজ করতে হবে না। কারণ, ম্যাসাজের ফলে চুলের গোড়া থেকে সিবাম নামের একধরনের তেল নির্গত হয়, এটি থাকলে আর শ্যাম্পু করে লাভ নেই। তাই চুল শ্যাম্পু করতে হয় দুইবার।
৭. পানি দিয়ে ফেনা ধুয়ে ফেলার পর এবার কন্ডিশনার ব্যবহারের পালা। চুলের আগায় কন্ডিশনার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। ডিপ কন্ডিশনিং এর ক্ষেত্রে ১৫ মিনিট রাখুন।
৮. প্রতিদিন শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। দুই থেকে তিন দিন পর পর শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।



